মিয়ানমার সেনাপ্রধান দাবি করছেন সে দেশে সেনা অভ্যুত্থান অপরিহার্য ছিলো। ঠিক এমনটাই মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমার সেনাপ্রধান মিং অং হ্লাং দাবি করেছেন। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এসব কথা বলেছেন তিনি।
মিয়ানমার সেনা বাহিনীর ফেসবুক পেজে একটি বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে যাতে বলা হয়েছে, ‘আমরা এই পথ নিতে বাধ্য হলাম কারণ, বহুবার অনুরোধ জানানো হয়েছিলো কিন্তু কোন ফলাফল হয়নি । তাই আমরা বাধ্য হলাম’।
২০২০ সালের নভেম্বরে নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি নিয়ে সু চি আর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মাঝে একটা টানাপড়েন চলে আসছিলো। বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয় ওই নির্বাচনে দেশটির সু চি-র দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি)। সংসদে অধিবেশন হওয়ার কথা ছিলো সোমবার কিন্তু তার আগেই ঘটে সেনা অভ্যুত্থান।
দেড় দশক বন্দীদশা কাটিয়ে ২০১৫ সালে সু চি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দেশের নেত্রী নির্বাচিত হন। দেশের পশ্চিমের প্রদেশ রাখাইন থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যা ও উচ্ছেদ অভিযোগে আন্তর্জাতিক মহলে ২০১৭ সালে সু চ-চির ভাবমুর্তি ক্ষন্ন হয়। সম্প্রতি নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগে আণুল উঠতে শুরু করে সু চি-র দিকে।
কিন্তু সংবিধান এবং আইন রক্ষার দায়িত্ব তাদের হাতেই বলে শনিবার ঘোষণা করে সে দেশের সেনাবাহিনী। তার পর থেকেই অভ্যুত্থানের আশঙ্কা করা হচ্ছিল। শেষমেশ তাই ঘটলো।
বার্তাবাজার/ভি.এস