লক্ষ্মীপুরে শিম চাষে বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি

লক্ষ্মীপুরে সবজি চাষিদের মুখে এখন তৃপ্তির হাসি, ভিশন্নতার চাপ অনেকটাই কেটে গেছে শীতকালিন সবজি শিম চাষের মধ্যে দিয়ে। লক্ষ্মীপুরে উৎপাদিত শিম জেলার মানুষের চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ করা হয় দেশের বিভিন্ন জেলায়।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা সহ রায়পুর, কমলনগর ও রামগতির বিভিন্ন চরচরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায় সারি সারি সিমের বাগান করেছেন চাষিরা,অন্যান্য বারের তুলনায় এবার শিম চাষে করেছেন বেশিরভাগ কৃষক।বাম্পার ফলনের পাশাপাশি ভালো দাম পাওয়াই খুসি এবার লক্ষ্মীপুরের চাষির।

চলতি শীত মৌসুমে লক্ষ্মীপুরে ৭৫০ হেক্টর জমিতে শিম আবাদ হয়েছে, যা গতবারের তুলনায় ৬০ হেক্টর বেশি জমিতে শিম চাষ হয়েছে। এই মৌসুমের শিম এর উৎপাদনের লক্ষমাত্র ধরা হয়েছে ১১ হাজার ২৫০ মেট্রিকটন। উৎপাদিত সিম থেকে ৪০ কোটি টাকার ও বেশি আয় হবে বলে ধারণা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

চাষিরা জানান: ফসল উৎপাদনে সময় মতো বীজ রোপন, সঠিক পরিচর্চার ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার শিম এর বাম্পার ফলন হয়েছে। আমরা পেয়েছি কাঙ্খিত মূল্য। চাঙ্গা হয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতি।গেল বছর শীত মৌসুমে লক্ষ্মীপুরে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। অসময়ের ঐ বৃষ্টিতে আমাদের শাক-সবজিসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। এবার বর্তমান বাজারে শিমের যে মূল্য আছে তা যদি ঠিক থাকে, তাহলে গত বছরের ক্ষতি কাটিয়ে লাভের মুখ দোখবো।

চাষিরা আরও জানান বর্তমান বাজার অনুযায়ী প্রতি বিগা জমিতে শিম চাষে খরচ হয়েছে ২০থেকে ৩০ হাজার টাকা, বাজার যদি ঠিক থাকে তাহলে তাদের প্রতি বিগা জমিতে আয় হবে ৫০থেকে ৬০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে শিম কে মানব দেহের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সবজি হিসেবে আখ্যা দিয়ে লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ বেলাল হোসেন বলেন: চলতি মৌসুমে আবহওয়া অনুকূলে থাকায় শিমের ভালো ফলন হয়েছে। বেশি ফসল উৎপাদনে কৃষকদের নানান ভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রত্যেক ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকের কল্যাণে কাজ করছেন।

বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর