টাঙ্গাইল পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডে ব্যালটের মুড়ি বই পাওয়ার অভিযোগ

টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাচনের পরদিন ১১নং ওয়ার্ডে ব্যালট পেপারের মুড়ি বই পাওয়া গেছে। রোববার (৩১ জানুয়ারি) সকালে শহরের কচুয়াডাঙ্গা লায়ন্স সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসী পুনরায় ভোট গণনার জন্য আন্দোলন করছে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পুলিশ ব্যালট পেপারের বাড়তি অংশ (মুড়ি) লিষ্ট ছাড়াই বস্তায় ভরাট করতে গেলে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীরা জানান, ১১নং কেন্দ্রের ওই স্কুলের ফ্যান ও ব্রে সহ অন্যান্য সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। সেই সাথে মুড়ি বইসহ ভোটের তথ্য সম্বলিত কাগজপত্র ফেলে চলে যায়।

এ ব্যাপারে ওই ওয়ার্ডের পরাজিত কাউন্সিলর প্রার্থী সালাউদ্দিন হায়দার বলেন, নির্বাচনের শুরু থেকেই এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা আমার সাথে খারাপ আচরণ করতে থাকে। পরবর্তীতে এই কেন্দ্রের ভিতরে আমাকে প্রবেশ করতে দেয়নি। মহিলা কেন্দ্রের ভিতরে আমাকে একদমই প্রবেশ করতে দেয়নি। গত রাতে আমি এই কেন্দ্র পুনরায় ভোট গনণার জন্য নির্বাচন অফিসে আবেদন করি। পরে সকালে স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানতে পারি স্কুলের ভিতরে ব্যালট পেপারের মুড়ি এবং নির্বাচনী অনেক সরাঞ্জাম রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমি মনে করি এ নির্বাচনে অনেক অনিয়ম এবং ত্রুটি হয়েছে। তাই আমি পুনরায় এ ওয়ার্ডের নির্বাচন নেয়ার দাবি জানাই।

১১ নং ওয়ার্ডের মহিলা কেন্দ্রে দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও কথা বলতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, ব্যালট পেপারের মুড়িগুলো সিলগালা করে একটি বস্তায় রাখে ওই কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাবৃন্দ। ভুল করে সেগুলো তারা ফেলে রেখে আসে। পরে সেগুলো সকালে আনতে গেলে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান বলেন, কতগুলো পেপারের মুড়ি বা সরঞ্জাম পাওয়া গেছে তা হিসাব করে থানায় জমা দেয়া হবে। এ ব্যাপারে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হবে।

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার (৩০ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল পৌরসভা, মির্জাপুর, সখীপুর, মধুপুর এবং ভূঞাপুর পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর