মেহেরপুর গাংনী উপজেলার তেরাইল-জোড়পুকুরিয়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফার(৪৬) গলিত মরদেহ তালাবদ্ধ ঘর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে তার মরদেহ কুষ্টিয়ার মঙ্গলবাড়িয়া আমজাদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়।
নিহত গোলাম মোস্তফা গাংনী উপজেলার ভোমরদহ গ্রামের মৃত মির্জন বিশ্বাসের ছেলে।
বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বিশ্বাস জানান, কয়েকদিন আগে তার স্ত্রী মনোমালিন্য করে তাকে ছেড়ে চলে যায়। সে কুষ্টিয়ার মঙ্গলবাড়িয়ার একটি ভাড়া বাসায় থাকত। কয়েকদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। যখন মৃত মরদেহের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে তখন বাসার মালিক আমজাদ হোসেন পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে ঘরে দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
ভোমরদহ গ্রামের ইউপি সদস্য গফর উদ্দিন জানান, কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসার প্রস্তুতি চলছে।
গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বজলুর রহমান ‘বার্তা বাজার’ কে জানান, সে কুষ্টিয়ায় একটি ভাড়া বাসায় থাকত। কয়েকদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। লাশ পচে দুর্গন্ধ ছড়ালে আশেপাশের লোক জানতে পারে।
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মাসুদ রানা/বার্তাবাজার/এসজে