উৎসাহ আর উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সারা দেশের ন্যায় ৩য় ধাপে ভালুকা পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইতি মধ্যে নির্বাচন অফিস সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। নির্বাচনকে ঘিরে পৌর এলাকায় ভোটারদের মাঝে জেগেছে উৎসাহ, কে হচ্ছেন পৌর পিতা! সর্বত্রই চলছে আলোচনা।
নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে ডাঃ এ.কে.এম মেজবাহ্ উদ্দিন কাইয়ুম ৩য় বারের মত নৌকা প্রতীক নিয়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাতেম খানের (ধানের শীষ) সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। অপর দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাইফুল ইসলাম (নারিকেল গাছ) প্রতীক নিয়ে মাঠে অবস্থান করলেও মূলত লড়াই হবে নৌকা আর ধানের শীষের। জানা যায়, পৌরসভা ৯টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার ২৫,০৪৪ জন। তার মধ্যে পুরুষ- ১২,৬৮২ এবং মহিলা- ১২৩৬২ জন।
এছাড়াও স্ব-স্ব ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীগণ নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
পৌরসভায় দু’দলেরই সমপরিমাণ ভোট রয়েছে। আওয়ামলীগ একট্টা হয়ে কাজ করলেও সমস্যার অন্ত নেই। অপর দিকে কোনদল ও গ্রুপিং এ বিভক্ত হওয়া বিএনপি’র একাংশের ভোটই অনেকটা পাল্টে দিতে পারে হিসাব নিকাশ। প্রচারণায় আওয়ামীলীগ এগিয়ে থাকলেও কৌশলগত কারণে বিএনপি অনেকটাই নিরব।
তবে প্রচারণায় বাঁধা, গাড়ি ভাঙ্গচুর, নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা সহ বিস্তর অভিযোগ রয়েছে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর। বিষয়টি নিয়ে রিটার্নিং অফিসার বরাবর অভিযোগ দায়ের করে সাংবাদিক সম্মেলনও করেছেন তিনি। তার মতে স্বচ্ছ ব্যালটে ভোট হলে নির্বাচনে তিনি জয়ী হবেন।
অপর দিকে দুই বারের সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক পৌরসভা গড়ার প্রত্যয়ে পুনরায় নৌকাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ডাঃ এ.কে.এম মেজবাহ্ উদ্দিন কাইয়ুম বলেন, পৌরসভার উন্নয়নে আমি ব্যাপক কাজ করেছি, ইনশাল্লাহ্ এবারও যদি মেয়র নির্বাচিত হই, অসম্পন্ন কাজগুলো সম্পন্ন করবো। তবে দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত শিল্পা ল হিসাবে খ্যাত গুরুত্বপূর্ণ প্রথম শ্রেণীর এই পৌরসভার কে হচ্ছেন পৌর পিতা।
আরিফুল হক পলাশ/বার্তাবাজার/পি