ময়মনসিংহের নান্দাইলে এক রাতে যুবলীগ নেতা, ইউপি সদস্য ও দুই এনজিও কর্মকর্তার মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা রয়েছে। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে পৌরসভার এক বাসা থেকে তিনটিসহ মোট চারটি চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এছাড়াও গত ১৭ জানুয়ারি সদর হাসপাতাল থেকে দুইটি, ২৩ জানুুয়ারি খামারগাঁও গ্রাম থেকে একটি ও ২৪ জানুয়ারি ডাংরি নামক স্থান থেকে একটি বেটারি চালিত ইজিবাইক চিন্তাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এর কিছু দিন আগে থানার এক উপ-পরিদর্শকের মোটর বাইক চুরিসহ বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে। হঠাৎ বেপরোয়াভাবে মোটর সাইকেল চুরির ঘটনা নিয়ে উপজেলা জুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
নান্দাইল উপজেলা যুবলীগ নেতা আবু ব্ক্কর সিদ্দিক পিন্টু বার্তা বাজারকে জানায়, নান্দাইল পৌরসভার চন্ডীপাশা মহল্লায় তাঁর বাসা। সেখানে নিজে বসবাস ছাড়াও ভাড়ায় থাকে আরও কয়েক পরিবার। প্রতিদিনের মতো তিনি সোমবার রাতে নিজের হোন্ডা কোম্পানীর ১১০ সিসির মোটর সাইকেল ছাড়াও ভাড়াটিয়া দুইজন এনজিও’র কর্মকর্তা আবুল হোসেন ও মাহিনুর রহমানের ডিসকভার ও বাজাজ ব্র্যান্ডের দুইটি ১০০ সিসি মোটর সাইকেল বাসার ভিতরে রেখে সামনের স্টিলের গেইট লাগিয়ে বেশ কয়েকটি তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে বাসার লোকজন দরজা খুলতে চাইলে দেখতে পান সামনে থেকে দড়জা লাগানো। পরে ভিতরের অন্য দরজা খোলে বাহিরে এসে দেখা যায় তিনটি মোটর সাইকেল নেই। সেই সাখে মূল ফটকের তালা ভাঙ্গা।
অন্যদিকে সোমবার রাত দশটার দিকে উপজেলার সিডস্টোর বাজারের অদূরে বাবার মোটর বাইক নিয়ে অপেক্ষা করছিল ছেলে আবু হানিফ। এ সময় কুয়াশার মধ্যে ৫/৬জনের একটি চক্র হানিফকে ছোড়া দেখিয়ে মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে যায়। এর মধ্যে নিমেষেই মোটর সাইকেলটি নিয়ে লাপাত্তা হয় চক্রটি। নান্দাইল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জানুয়ারি হাসপাতালে রোগি নিয়ে আসা দুটি ইজিবাইক চুরি যায়। আর খামারগাঁও গ্রামে এক চালককে চেতনানাশক খাইয়ে তাঁর গাড়ীটি নিয়ে যায়। সেই চালক এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এর পরদিন ডাংরি নামক স্থান থেকে আরেক চালককে ডিবি পরিচয়ে ইজিবাইক ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
এই বিষয়ে নান্দাইল থানার ওসি মিজানুর রহমান আকন্দ বার্তা বাজারকে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই বিষয়ে থানায় জিডি হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু মোটর বাইক ও ইজিবাইক চুরির ঘটনা সম্পর্কে তিনি বার্তা বাজারকে বলেন, কিছুদিন আগে একজন চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চক্রটিকে গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।
মজিবুর রহমান ফয়সাল/বার্তাবাজার/এ.আর