গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে মাদারীপুরে পিঠাপুলির উৎসব

পিঠাপুলির দেশ বাংলাদেশ। পিঠা এ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। পৌষের হিমেল হাওয়া ছাড়া যেমন শীতকে কল্পনা করা যায় না, ঠিক তেমনি পিঠা ছাড়াও বাঙালির ঐতিহ্য ভাবা যায় না। এ ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য বাঙালির পিঠা পার্বণের আনন্দধারা ও যুব সমাজকে মাদক থেকে দুরে রাখতে পিঠা মেলার আয়োজন করে মাদারীপুরের বালিয়া যুব সমাজ। শীতের সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সদর উপজেলার মস্তফাপুরের বালিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের মাঠে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় একাধিক স্টলে শীতের নানা বাহারি পিঠার উপস্থাপন ও আধিক্য দেখা গেছে।

এলাকাবাসীরা বার্তা বাজারকে বলেন, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও আগামী ভবিষৎ প্রজন্মকে জানাতে এই পিঠা উৎসবের আয়োজন প্রতি বছর করা হলে সবার জন্য ভাল হয়। শুধু গ্রামে না প্রতিটি জেলায় এরকম পিঠাসহ সাংস্কৃতিক আয়োজন হলে যুবসমাজকে মাদক থেকে দুরে রাখা যাবে। এ ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগ গ্রহন করা উচিত।

পিঠা বিক্রেতারা বার্তা বাজারকে বলেন, আমরা টাকার জন্য এই পিঠা উৎসবে আসি নাই। একদিনের জন্য হলেও সবাই আনন্দ করে দিনটি পালন করতে এসেছি। তাছাড়া এরকম আয়োজন হলে আমাদের হারিয়ে যাওয়া পিঠারগুলোর ঐতিহ্য আবার ফিরে পাবে এবং যুব সমাজ একদিনের জন্য হলেও মাদক থেকে দুরে থাকবে।

পিঠা উৎসবের উদ্যোক্তা মো. হাবিব মাহামুদ বার্তা বাজারকে বলেন, আমরা এখন আর আগের মত পিঠা দেখতে পাইনা। যুব সমাজ ও গ্রামের মানুষকে আনন্দ দিয়ে মনে করিয়ে দেয়ার জন্য এ আয়োজন। তবে সবার সহযোগীতা পেলে আগামীতেও করবো।

এ মেলায় পিঠার মধ্যে বেশ পরিচিত কিছু পিঠা- চিতই, ভাঁপা, পাটিসাপটা, নকশি, সেমাই, সাঁজের, রসের, তেলের, পাক্কুন, ডালের, বিউটি পাপড়ি, মাংস, পুলিপিঠা, সুন্দরী ডিমের পিঠা, কুমড়া পিঠা, আনারস পিঠা, ঝাল পিঠা, ছিছ পিঠা, ছি রুটি পিঠা ইত্যাদি ছাড়াও বিভিন্ন অঞ্চলে হরেক নামের বাহারি সব পিঠা দেখা যায়।

আকাশ আহম্মেদ/বার্তাবাজার/এ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর