জো বাইডেন তার ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এই মুহূর্তটি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে গেছেন। কিন্তু ক্ষমতায় বসার প্রথম দিন থেকেই তিনি যে কী বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন, তা হয়ত তিনি কখনও প্রত্যাশাও করেননি। কী সেই চ্যালেঞ্জগুলো?
প্রথম ১০ দিনেই তিনি বেশ কিছু নির্বাহী আদেশ জারির কাজ শুরু করছেন।
এগুলো হল প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাবলে জারি করা নির্বাহী আদেশ, যার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।
এই তালিকায় সবার উপরে আছে দুটি বিষয়। এক- বিতর্কিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বাতিলের বিষয়। তার পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্প নিরাপত্তা হুমকির কারণ দেখিয়ে প্রধানত যেসব মুসলিম দেশ থেকে আমেরিকায় ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন, সেগুলো প্রত্যাহার। আর দ্বিতীয়টি হল প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে আবার যোগদান।
এছাড়াও নতুন প্রেসিডেন্ট হিসাবে যে বিষয়গুলোর দিকে তিনি অবিলম্বে নজর দিতে চান বলে জানা যাচ্ছে সেগুলো হল:
* আমেরিকানদের মাস্ক পরানো
* ১০০ দিনে ১০০ মিলিয়ন ডোজ টিকা
* বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় (হু) আবার যোগদান
* ভাড়াটে ও বাড়ির মালিকদের জন্য ছাড়
* ১.৯ ট্রিলিয়ন ডলার করোনাভাইরাস অর্থনীতি
* ট্রাম্পের কর সুবিধা বাতিল
* প্যারিস চুক্তিতে ফিরে যাওয়া: মি. বাইডেন বলেছেন ক্ষমতা গ্রহণ করার পর প্রথম দিনই তিনি প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে আমেরিকাকে আবার ফিরিয়ে নিয়েছেন।
* অন্য পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা। * নাগরিকত্ব প্রদান। * সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণ রদ। * বর্ণবাদ ও ফৌজদারি বিচারে সংস্কার। * আমেরিকান মিত্রদের প্রতি আশ্বাস
* ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বাতিল:জানুয়ারি ২০১৭য় ক্ষমতা গ্রহণ করার মাত্র সাতদিনের মাথায় মি. ট্রাম্প কিছু দেশ থেকে আমেরিকায় ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। মি. ট্রাম্পের যেসব নীতি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমেই বাতিল করেছেন মি. বাইডেন।
৭টি মূলত মুসলিম প্রধান দেশ থেকে আমেরিকায় ভ্রমণের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়, পরে আদালতে এই বিধান চ্যালেঞ্জ করে মামলা চলার পর তালিকায় কিছু রদবদল করা হয়।
এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন, ভেনেজুয়েলা এবং উত্তর কোরিয়া। সূত্র: বিবিসি।
বার্তাবাজার/পি