আজ শুক্রবার রাত ১২:২৫, ২০শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৫ই কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৮শে মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

জবিতে খালেদা জিয়ার নামসংবলিত ফলক পুনঃস্থাপন

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : জুন ১৮, ২০১৭ , ৮:১৪ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : রাজনীতি
পোস্টটি শেয়ার করুন

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামসংবলিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ঘোষণা ফলক পুনঃস্থাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ ফলক পুনঃস্থাপন করা অবস্থায় দেখা গেছে। শনিবার রাতে এ ফলক পুনঃস্থাপন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, গত ৮ জুন রাতের আঁধারে খালেদা জিয়ার নামসংবলিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ঘোষণা ফলক ভাঙচুরের পর সরিয়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদে ৯ জুন ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রদল। ফলক পুনঃস্থাপনের জন্য প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন ছাত্রদলের নেতারা। তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন তারা।
একই দিনে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বিএনপি সমর্থিত শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দ্রুত তা পুনঃস্থাপনের জোর দাবি জানায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান ওই ফলক পুনঃস্থাপনের জন্য রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেন। প্রক্টর ড. নূর মোহাম্মদকে ফলক পুনঃস্থাপনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। খুব দ্রুত ফলক পুনঃস্থাপন করা হবে বলে সাংবাদিকদের জানান প্রক্টর।
ছাত্রদলের দাবি, আন্দোলন, আলটিমেটাম এবং সাদা দলের চাপের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খালেদা জিয়ার নামসংবলিত জবি ঘোষণা ফলক পুনঃস্থাপন করেছে।
তবে প্রক্টর ড. নূর মোহাম্মদ বলছেন, কোনো চাপের প্রশ্নই আসে না। যৌক্তিক কারণেই তা পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ছাত্রদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক ও সাধারণ সম্পাদক আসিফ রহমান বিপ্লব জবি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গণতান্ত্রিক আচরণ করেছে। আন্দোলনের মুখে ফলক পুনঃস্থাপন করতে বাধ্য হয়েছেন তারা। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা কোনো অযৌক্তিক কাজ করতে দেবে না।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জগন্নাথ কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তরের ঘোষণা দিয়ে ক্যাম্পাসের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা ফলক উন্মোচন করেন। ওই ঘোষণার আলোকে ২০০৫ সালের ২০ অক্টোবর জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে জগন্নাথ কলেজ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে।