নাটোরের সিংড়ার গর্ব উত্তর বঙ্গের অন্যতম ভাষাবিদ, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ প্রয়াত মাদার বখশ্ এর ৫৪ তম মৃত্যু বার্ষির্কী (২০ জানুয়ারি) বুধবার ভার্চুয়াল আলোচলার মাধ্যমে পালিত হয়।
এ দিনটিকে স্মরণ করতে সিংড়া উপজেলা সমিতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজন করে আলোচনা ও স্মরণ সভা। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল “মাদার বখশ্ ও উত্তর বঙ্গের শিক্ষা”। এ আলোচনা সভা খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও মৃধা শাকিব এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের (ICE) অধ্যাপক ড. মির্জা আ.ফ.ম রশিদুল হাসান, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সভাপতি ড. মোঃ ওসমান গণী, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের লেকচারার
মোঃ ফি ফয়সাল আহমেদ।
সংগঠনের সদস্য শিরিন সুলতানা তার বক্তব্যের মধ্যে তুলে ধরেন মাদার বখশ্ এর বিভিন্ন কর্মকান্ড। উত্তর বঙ্গের শিক্ষা নগরী রাজশাহীতে তাঁর অবদান যেমন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠাসহ প্রায় ডজন খানেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করার আবদান তুলে ধরা হয়।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা বলেন, বরেণ্য এই শিক্ষাবিদ ও ভাষা সৈনিক কে তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান গুলো বর্তমানে স্মরণ করে না। তাঁর জন্ম-মৃত্যু বার্ষির্কীতে কোন আয়োজন থাকে না। তিনি দাবি জানান মাদার বখশ্ কে তাঁর যথাযত সম্মান যেনো প্রদান করা হয়।
ফি ফয়সাল আহমেদ বলেন, আমাদের তরুণ সমাজের মধ্যে দিয়ে মাদার বখশ্ এর চেতনা পৌঁছে দিতে হবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে।
ড.ওসমান গণী তার বক্তব্যে তুলে ধরেন মাদার বখশ্ এর সমাজ সচেতনতার কথা, তিনিও অন্যদের সাথে একমত হয়ে বলেন মাদার বখশ্ কে আমাদের স্মরণ করতে হবে তার চেতনা ধারণ করতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মির্জা আ.ফ.ম রশিদুল ইসলাম বলেন, মাদার বখশ্ সিংড়া উপজেলা সমিতি আজ যে কাজটি করলো তা থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া দরকার, মাদার বখশ্ এভাবে অবহেলায় পরে থাকতে পরে না। তার জন্ম ও মৃত্যু দিবস গুলো যতাযত মর্যাদায় তার হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানটির পালন করা উচিত। শিক্ষা বিস্তারে তার আগমন না ঘটলে উত্তর বঙ্গে এত আলো ছড়াতো না। তার অবদানের কথা ভেবে তাকে স্মরণ করা দরকার বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।
ভবিষ্যতে এইদিনটি যেনো আরো যথাযত ভাবে পালন করার হয় সেই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা। সমিতির অন্য সকল সদস্য এ কাজে সর্বদা প্রস্তুত বলে জানায়।
বার্তাবাজার/এ.আর