প্রায় দশ মাস পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে এই ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছেন দেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে বসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যক্তিগত ৭ রানে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাঝঘরে ফিরেন সুনিল আমব্রিস।
এরপর বৃষ্টির কারণে ম্যাচ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে। ফের খেলা শুরু হলে উইন্ডিজ শিবিরে দ্বিতীয় আঘাত হানেন মোস্তাফিজ। মাত্র ৯ রান করে লিটনের উড়ন্ত ক্যাচে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটেন জশুয়া ডা সিলভা।
অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ আন্দ্রে ম্যাকার্থিকে নিয়ে দলের হাল ধরেন। কিন্তু সেখানে বাধা হয়ে দাঁড়ান সাকিব আল হাসান। বোল্ড করে আন্দ্রে ম্যাকার্থিকে (১২) ফেরান সাকিব। প্রথম উইকেট নেওয়ার পর পরপর দুই ওভারে তুলে নেন অধিনায়ক জেসন মোহাম্মদ ও এনক্রুমা বোনারকে।
১৭ রান করে সাকিবের বলে মুশফিকের হাতে স্টাম্পিংয়ের শিকার হয়ে ফেরেন জেসন। অন্যদিকে বোনারকে লেফ বিফোরের ফাঁদে ফেলে সাঝঘরে পাঠান সাকিব। তিনি রানের খাতা না খুলেই সাঝঘরে ফিরেন।
৫৬ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর কাইল মায়ার্স ও রোভম্যান পাওয়েলের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ষষ্ঠ উইকেটে পঞ্চাশোর্ধ রানের জুটি গড়েন তারা। তাদের ৫৯ রানের জুটিটি ভাঙেন অভিষিক্ত হাসান মাহমুদ।
ব্যক্তিগত ২৮ রানে মুশফিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন পাওয়েল। এর পরের বলেই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ফিরেন হাসানের দ্বিতীয় শিকার হন রেইমন রেইফার। অন্যদিকে দুর্দান্ত খেলতে থাকা মায়ার্স ৪০ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে লিটনকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন।
তাদের বিদায়ে উইন্ডিজ ব্যাটিং লাইন আপ ধসে যায়। মাত্র ১ রান করে লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে হাসান মাহমুদের তৃতীয় শিকার হন জাহমার হ্যামিল্টন।
উইন্ডিজ শিবিরে সর্বশেষ আঘাত হানেন সাকিব। ৪ রান করে সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে ফিরেন আলজারি জোসেফ। এর ফলে ৩২.২ ওভারে মাত্র ১২২ রানেই অলআউট হয়ে গেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ১২৩ রান।
বার্তাবাজার/এস.জি