আজ বৃহস্পতিবার রাত ৩:০০, ২৯শে জুন, ২০১৭ ইং, ১৫ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৩রা শাওয়াল, ১৪৩৮ হিজরী

শিরোনাম

বিক্ষোভে উত্তাল দার্জিলিং, নিহত ২

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : জুন ১৮, ২০১৭ , ৩:২৯ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : আন্তর্জাতিক
পোস্টটি শেয়ার করুন

গোর্খাদের টানা ধর্মঘটে অচল হয়েছে পড়েছে ভারতের দার্জিলিং। ধর্মঘটের ষষ্ঠ দিনে গতকাল পুলিশের গুলিতে দুই বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার দাবি করেছে গোর্খা আন্দোলনকারীরা। অন্য দিকে এক পুলিশ কর্মকর্তা ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনা পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়।

গতকাল শনিবার দার্জিলিং জেলার বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সদস্যদের। শুক্রবার রাতে বিক্রম রাজ নামে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা ও স্থানীয় এক এমপির পুত্রকে গ্রেফতার এবং আরেক গোর্খা নেতার বাড়িতে পুলিশের তল্লাশির নামে ভাঙচুরের প্রতিবাদে নতুন করে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে শনিবার। আন্দোলনকারীরা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ও পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

অন্য দিকে একজন পুলিশ কর্মকর্তার ওপর ছুরি হামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই কর্মকর্তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। আর গোর্খাদের দাবি গতকালও পুলিশ তাদের ওপর গুলি চালিয়েছে। পুলিশের গুলিতে দুই বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার দাবি করে গোর্খা নেতা বিমল গুরুং বলেন, ‘নারী মোর্চার সদস্যরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করছিল। রাজ্যের স্বৈরাচারী সরকার আমাদের ওপর গুলি চালিয়েছে, যাতে দুইজন নিহত হয়েছে’।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি পুলিশের গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করেন। চলমান আন্দোলনকে তিনি গভীর ষড়যন্ত্র আখ্যা দেন। মমতা দাবি করেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্রোহীরা ইন্ধন দিচ্ছে এই বিক্ষোভে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সেনাবাহিনী আহ্বান করা হয়েছে। পুলিশকে রাখা হয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতায়।

গত সোমবার থেকে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ডাকে শুরু হয় অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট। প্রথমে জেলার সরকার নিয়ন্ত্রিত স্কুলগুলোতে বাংলাভাষা বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হলেও এখন তা রূপ নিয়েছে গোর্খাল্যান্ড নামে রাজ্যের দাবিতে। কয়েক দশক ধরেই হিমালয় অধ্যুষিত অঞ্চলটিতে পৃথক রাজ্যের দাবি করে আসছে সেখানকার নাগরিকেরা।

Add Space