বিক্ষিপ্ত ঘটনায় দেশের ৬০ পৌরসভায় শেষ হল ভোটগ্রহণ। শনিবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় সবগুলো পৌরসভায় ভোটগ্রহণ। চলে টানা ৪টা পর্যন্ত। এখন সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে চলছে ভোট গণনার কাজ।
তবে ৪টা বেজে যাওয়ার পরেও অনেক কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়েছে যারা বিকাল ৪টার মধ্যে ভোটকক্ষে প্রবেশ করতে পেরেছে শুধু তাদের ভোটই গ্রহণ করা হবে।
দেশের বেশ কয়েকটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও কোথাও কোথাও বোমা বিস্ফোরণেরও ঘটনা ঘটেছে। ফেনীর দাগণভুঁঞায় একটি কেন্দ্রে বোমা বিস্ফোরণে আনসার সদস্যসহ ৪ জন আহত হয়েছেন।
সুনামগঞ্জের ছাতক পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে যেতে বাঁধা দেয় বলে অভিযোগ করা হয়। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় প্রার্থীকে না চিনেই বাঁধা দেওয়া হয়েছিল।
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভায় অনিয়ম ও মারধরের শিকার হয়ে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় একটি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কর্মীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে নেয়।
ঝিনাইদহের শৈলকূপা ও ঢাকার সাভার পৌরসভাতেও ঘটেছে সংঘর্ষের ঘটনা।
দেশের সবচেয়ে আলোচিত পৌরসভা নোয়াখালীত বসুরহাটে দুপুর পর্যন্ত ৫ ঘন্টা পেরিয়ে গেলেও ভোট পড়েছিল ২৯ শতাংশ।
বার্তাবাজার/এসজে