গত এক দশকের মধ্যে চরম খরার সম্মূখীন হচ্ছে তুরস্ক। সারা দেশে পানির জন্য হাহাকার তবে সবচেয়ে বেশি খারাপ অবস্থা ইস্তাম্বুলের।
এই খরা চলমান থাকলে মাত্র এক হতে দেড় মাসের মধ্যেই পানিশূন্য হয়ে পড়বে ১ কোটি ৭০ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত তুরস্কের অন্যতম প্রধান শহর ইস্তাম্বুল।
তুরস্কের অন্যান্য শহরগুলোরও প্রায় একই অবস্থা। এ অবস্থার জন্য দায়ী নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। উন্নয়ন কাজে তারা অপরিমিত পানির ব্যবহার করেছে যার ফলে এমন সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ইস্তাম্বুলের পানি সরবরাহের প্রধান উৎস ওমেরিল বাঁধের পানির স্তর গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমে গেছে। সময় মতো বৃষ্টি না হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

রাজধানী আঙ্কারার মেয়র মানসুর জাভাস বলেছেন, বাঁধ ও রিজারভায়রগুলোতে মাত্র ১১০ দিন চলার মতো পানি রয়েছে। আরো দুটি বড় শহর ইজমির ও বুরসায় যেসব বাঁধ রয়েছে সেগুলোতে যথাক্রমে ৩৬ ও ২৪ শতাংশ পানি অবশিষ্ট রয়েছে।
এখানে বৃষ্টির সময় বাঁধের ভিতরে জমা পানির ওপরই নির্ভর করতে হয় সারা বছর। ১৯৮০ সাল থেকে নগরোন্নয়ন, শিল্পায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে বার বার পানির অভাবের মুখে পড়তে হচ্ছে দেশটিকে।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম