নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হওয়া প্রার্থী নিয়ে বেকায়দায় কর্তৃপক্ষ

ময়মনসিংহের নান্দাইলে চপই দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম হওয়া প্রার্থীকে নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এই নিয়োগে পছন্দের প্রার্থীকে চাকুরি পাইয়ে দিতে কোরাম পূরণ করে তিনজনকে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষায় প্রথম হন কোরামের প্রার্থী। আর পছন্দের প্রার্থী হন দ্বিতীয়। এতে বেকায়দায় পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, চপই দাখিল মাদ্রসায় সহকারী গ্রস্থগারিক কাম ক্যাটালগার শুন্য পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। সেখানে একাধিক প্রার্থী আবেদন করলেও চারজনকে বাছাই করে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়। মঙ্গলবার লিখিত পরীক্ষার দিন বাছায়ের পর প্রবেশপত্র না দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রে আসেন মোশারফ হোসেন নামে আরেক আবেদনকারী।

এসময় তিনি অভিযোগ করেন অজ্ঞাত কারনে তাঁকে প্রবেশপত্র দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে কর্তৃপক্ষের পছন্দের প্রার্থীসহ বাকি তিন নারী কেন্দ্রে উপস্থিত হন। এ অবস্থায় কেন্দ্রে থাকা ডিজির প্রতিনিধি জেলা শিক্ষা অফিসার মোশারফকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেন। সেই পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় খাদিজা আক্তার নামে এক প্রার্থী প্রথম হন। তখন ডিজির প্রতিনিধি খাদিজাকেই চাকুরিতে নিয়োগ দেওয়ার ঘোষনা দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এক নারী প্রার্থীকে পছন্দের তালিকায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু প্রথম হওয়া নারী সে নয়। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। এ নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বেকায়দায় পড়েন।

লিখিত পরীক্ষায় প্রথম হওয়া প্রার্থী খাদিজা বেগমের স্বামী মোবারক হোসেন বার্তা বাজারকে জানান, তাঁর স্ত্রী শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রভাষক হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়ে আছেন। করিমগঞ্জ থেকে এসে এই প্রতিষ্ঠানে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর চাকরি করা সম্ভব না।

তাহলে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করালেন কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বার্তা বাজারকে বলেন, অভিজ্ঞতার জন্য পরীক্ষা দিয়েছে।

মাদ্রসার সুপার হারুন অর রশিদ কোন তথ্য দিতে চাননি। তবে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি চিনু মিয়া বার্তা বাজারকে বলেন, এমন হওয়ার কথা ছিল না। দেখা যাক কি হয়। পরীক্ষায় পরিদর্শক ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুকন উদ্দিন আহম্মেদ।

তিনি বার্তা বাজারকে আরও বলেন, পরীক্ষায় যিনি প্রথম হয়েছেন তাঁরই চাকরি হবে। অন্যতায় নতুন ভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পদ পূরণ করা হবে।

বার্তাবাজার/পি/এ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর