ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক রাতে দুটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ জানুয়ারি) রাতে বুড়িগঙ্গা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় আলামীন শেখ (২৩) নামে এক হকারের লাশ উদ্ধার করেছে সদরঘাট নৌ পুলিশ। অন্যদিকে কেরানীগঞ্জে মো. রিপন আহমেদ (২৭) নামে এক বিকাশ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ। লাশ দুটি ময়না তদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সদরঘাট নৌথানার এসআই মো. শহিদুল ইসলম জনন, আলামীনের পিতার নাম আবু সাইদ শেখ, গ্রামের বাড়ি পিরোজ পুরের আমতলা এলাকায়। আলামীন সদরঘাট এলাকায় লঞ্চে লঞ্চে ফেরি রুটি বিক্রি করতো। সে সাতার জানতো না। গত শুক্রবার শেষবারের মতো তাকে রুটি বিক্রি করতে দেখা যায়। এর পর থেকেই সে নিখোজ ছিল। সেমবর রতে গেন্ডারিয়া এলাকায় টিপু ডক ইয়ার্ডের সামনে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। এরপর নিহতের চাচা ওয়াদেুল শেখ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামীনের লাশ শনাক্ত করেন।
অপরদিকে নিহত রিপনের ছোট ভাই রায়হান আহমেদ জানান, তার বাবার নাম ইদ্দিস আলী, তারা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দড়িগাওয়ের আউরাহাটি এলাকায় বাড়ি। তার ভাই পূর্ব বন্দ ডাকপাড়া এলাকায় বিকাশ ও মোবাইল ফ্ল্যাক্সিলোডের ব্যবসা করতেন। সোমবার রাত ১১ টা সময় আমার ভাইয়ের ফোন থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যাক্তি ফোন দিয়ে বলে এই লোকটিকে (ফোনের মালিককে) চেনেন কি না? উনার মরাদেহ আবদুল্লাহপুর করের গাও রোডে রতনের খামারের সামনে ময়লর স্তুপের উপর পরে আছে। ফোন পাওয়ার সাথে সাথে রায়হান আত্মীয় স্বজন নিয়ে ঘটনা স্থলে গিয়ে তার ভাইয়ের লাশ দেখতে পেয়ে থানা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ লাশটি ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই রাজীব জানান, রিপনের পরিবারের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রিপনের মরদেহ ও সেই সাথে রিপনের মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো হ ৬০-৫৯৪৫) উদ্ধার করা। নিহতের শরীরে অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই জানা যাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ। এ ব্যপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বার্তাবাজার/এসজে