ভোলা সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ২নং ওয়ার্ডে আপন চাচাতো ভাইয়ের ঘরের সামনে দেয়াল দিয়ে আটকিয়ে দিয়েছে আরেক চাচাতো ভাই সুমন গংরা।
মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার উত্তর দিঘলদী ২নং ওয়ার্ডের পালোয়ান বাড়ীতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোঃ ইউসুফ পালোয়ান এর সাথে তার বড় ভাই ছিদ্দিক পালোয়ানের ছেলে সুমন, ইকবাল, দেলোয়ার ও তানিয়াদের সাথে দীর্ঘদিন জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে, এনিয়ে ভোলার বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলমান এবং মামলা চলমান থাকার পরেও স্থানীয় ভাবে একাধিকবার শালিশ হলেও কোন সুরাহা হয়নি।
বরং ক্ষমতার দাপটে সুমন দলবল নিয়ে ইউসুফ পালোয়ান এর ঘরের সামনে দিয়ে পাকা দেয়াল টেনে ঘরবন্ধী করে রেখেছেন। ভাতিজা সুমন, ইকবাল ও দেলোয়ার এর পাকা দেয়াল টেনে চাচা ও চাচাতো ভাইদের ঘরবন্ধী করে আবার গাছ কেটে নিয়ে যায় এবং জমির বেশি অংশই দখলে যায় সুমনগংরা।
ইউসুফ পালোয়ানের ছেলে ইউনুছ পালোয়ান বলেন,আমাদের ক্ষমতা নাই, আমরা কোন রকম ব্যবসা বানিজ্য করে দিনযাপন করি, আমার চাচাতো ভাই সুমন, দেলোয়ার,ইকবাল জোরপূর্বক আমাদের বাথরুম, আমার একটি ঘর এবং গাছপালাসহ দখল করে আবার আমাদের ঘরের সামনের সিঁড়ি সাথেই পাকা দেয়াল টেনে আমাদের ঘরবন্ধী করে রেখেছে, আমরা কোথায়ও বিচার পাচ্ছি না।
ভুক্তভোগী পরিবার ভোলা সদর আসনের এমপি সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
তবে ছিদ্দিক পালোয়ান এর ছেলে সুমন বলেন,আমরা আমাদের জমিতে দেয়াল টেনেছি, ঘরের সামনে দেয়াল দেওয়া কতটা যুক্তিক এমন প্রশ্নের জবাবে সুমন সঠিক উত্তর দিতে পারেনি।
এই বিষয়ে উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন মুনসুর এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, জমিজমা যারই হোক সেটা বড় কথা নয় তবে ঘরের সামনে দিয়ে দেয়াল টানা ঠিক হয়নি।
ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) এনায়েত হোসেন বলেন, এই ঘটনায় ঘটনাস্থলে একাধিকবার পুলিশ পাঠিয়েছি তবে যে ভাবে ঘরবন্ধী করে দেয়াল উত্তোলন করেছে এটা অমানবিক কাজ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সমাধান করার আশ্বাস দিয়েছে, তারা সমাধান করতে না পারলে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।
বার্তাবাজার/এসজ