কক্সবাজারে পৃথক ঘটনায় নিহত ২

কক্সবাজারে টেকনাফ ও উখিয়ায় একদিনে পৃথক দুটি হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। পৃথক দুটি ঘটনায় টেকনাফের চাকমারকুল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের গুলাগুলিতে নুর হাকিম (২৭) নামে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ২০ জন।

অপর দিকে উখিয়া স্থানীয় ফোরকান উরফে কালু (১৪) নামের এক কিশোরের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় রোহিঙ্গা আয়াছ নামের এক দোকান কর্মচারী পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১০ জানুয়ারি) ভোরে উখিয়ার হাকিমপাড়া ও জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে একদল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী টেকনাফের চাকমারকুল রোহিঙ্গা শিবিরের সি ব্লকে গিয়ে তোহা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালীন উভয় গ্রুপের মধ্যে ৬০-৭০ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। এসময় চাকমারকুলের ২১ নম্বর ক্যাম্পের সি- ব্লকের হোসেন আলীর ছেলে নুর হাকিম গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনা স্থলে নিহত হয়। আহত অন্তত ২০ জনকে স্থানীয় সেভ দ্য চিলড্রেনের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নুরে আলম জানান, ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

অপরদিকে, উখিয়া কোটবাজার একটি ডেকোরেশনের দোকান থেকে রত্নাপালং ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকার বশির আহমদের ছেলে ফোরকান উরফে কালু (১৪) নামের এক কিশোরের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

দোকান মালিক শাহ আলমের বরাতে জানাগেছে, রাত ১২টার দিকে দোকানের কর্মচারী কালু ও আয়াছকে দোকানে রেখে যায়। সকালে এসে কালুর গলাকাটা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানানোর পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

উখিয়া থানার (ওসি) গাজী সালাহ উদ্দীন বলেন, দোকান মালিকের ফোন পেয়ে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করেছে। এই ঘটনাটি রহস্যজক মনে হচ্ছে। তবে আয়াছকে আটকের চেষ্টা চলছে।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর