মাদারীপুরে নিখোঁজের ১১ মাস পর প্রেমিকের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে প্রেমিকা মুর্শিদা আক্তারের (১৫) গলিত লাশ উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ। প্রেমিক সাহাবুদ্দিন আকনের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলার ডাসার থানার পূর্ব বোতলা গ্রাম থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানাযায়, একই গ্রামের চাঁনমিয়া হাওলাদারের মেয়ে দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া মুর্শিদা ও মজিদ আকনের ছেলে সাহাবুদ্দিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সূত্র ধরে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় সাহাবুদ্দিন। এরপর থেকেই নিখোঁজ হয় মুর্শিদা। পরে ১৮ ফেব্রুয়ারি ডাসার থানায় একটি জিডি করা হয়। এতে কোন প্রতিকার না হওয়ায় ৪ মার্চ সাহাবুদ্দিনসহ ৫ জনকে আসামি করে মুর্শিদার মা মাহিনুর বেগম ডাসার থানায় একটি মামলা করেন। দীর্ঘদিন মামলার কোন অগ্রগতি না হওয়া মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের আবেদন করে বাদী পক্ষ।
মামলাটি মাদারীপুর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তভার গ্রহণ করলে গত বৃহস্পতিবার আসামি সাহাবুদ্দিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে। তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই তারিকুল ইসলাম সাহাবুদ্দিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। শনিবার বিকালে সাহাবুদ্দিন হত্যাকান্ডে নিজের সম্পৃক্ততার বিষয় গোয়েন্দা পুলিশের কাছে স্বীকার করে এবং লাশ গুম করার কথাও স্বীকার করে।
মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান মিয়া জানান, ‘সাহাবুদ্দিনের দেয়া তথ্য মোতাবেক আসামির বাড়ির সেফটিক ট্যাংকি থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
বার্তাবাজার/পি