রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় ধর্ষণের পর মারা যাওয়া ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী আনুশকার মৃত্যুর পর মামলার ব্যাপারে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন নিহতের মা । শনিবার (৯ জানুয়ারি) কুষ্টিয়ায় মেয়ের মরদেহ দাফনের পর তিনি পুলিশের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আনুশকার মা বলেন, পাসপোর্ট দেখিয়ে বলেছি আমার মেয়ের বয়স ১৭। সেটিকে মামলায় ১৯ বানিয়ে দিয়েছে পুলিশ। থানায় মামলা দিতে গেলে দিহানসহ ৪ জনকে আসামি করার কথা বলা হয়। কিন্তু এখন কেন একজনকে আসামি করলো তারা?
তিনি বলেন, ঘটনার দিন সকালে তারা স্বামী-স্ত্রী দুজনই কর্মস্থলে চলে যান। ১১টায় তাদের মেয়ে ফোন করে জানায় সে এক বন্ধুর বাসায় কিছু কাগজপত্র আনতে যাবে। দুপুর ১টা ১৮ মিনিটে দিহান নামের এক ছেলে ফোন দিয়ে জানায় আনুশকা অসুস্থ হয়ে পড়েছে, তাই তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে।
এ কথা শুনে তিনি তার এক বান্ধবীকে নিয়ে হাসপাতালে যান। সেখানে গিয়ে চারজন ছেলেকে বসে থাকতে দেখলে একজন নিজেকে দিহান পরিচিয় দিয়ে জানান, আনুশকার তাদের বাসায় ছিল। সাথে তারা চার ছেলেবন্ধু ছিল। বাকিরাও সেখানে থাকার কথা জানায় তখন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আনুশকাকে দেড় ঘন্টা দেখতে দেয়নি। পরে গিয়ে দেখেন মেয়ের হাতে ও কোমরে কালো দাগ। তখনও প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।
তিনি আরও জানান, প্রয়োজন হলে অপহরণের মামলা করা হবে। আমার ইমম্যাচিউরড (অপ্রাপ্তবয়স্ক) মেয়েকে কৌশলে তারা নিয়ে হত্যা করেছে। এটা অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যাকাণ্ড। এটা কোনো মা-বাবাই মেনে নিতে পারবে না
বার্তাবাজার/এসজে