আগামী ৩০ জানুয়ারি দেশে তৃতীয় ধাপে পৌর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে মৌলভীবাজার পৌরসভায় মেয়র, কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন জমা দেওয়া প্রার্থীদের মাঝে মাধ্যমিক (এসএসসি) উর্ত্তীর্ণ হতে পারেননি বেশিরভাগই। পঞ্চম, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার সুযোগ হয়েছে তাদের।
তবে নির্বাচনে লড়তে আসা প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে বেশ অসন্তোষ বিরাজ করছে পৌরবাসী সচেতন ও শিক্ষিত ভোটারদের মাঝে।
পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের হলফনামা থেকে জানা যায়, এই পদে ২২ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাদের মাঝে ৮ জন স্বশিক্ষিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর বাকিদের মাঝে প্রাথমিকের গণ্ডি পার হতে পারেনি ৩ জন। সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন ৩ জন। অষ্টম পর্যন্ত ৯ জন, মাধ্যমিক ১ ও উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন ৪ জন। আর ৩ জন উচ্চ শিক্ষিত।
এ বিষয়ে পৌরসভার ভোটারদের সাথে কথা হলে তারা জানান, সুশিক্ষিত প্রার্থী ব্যতীত এলাকার উন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভব না। জনগণের সেবা করতে হলে শিক্ষাগত যোগ্যতারও প্রয়োজন আছে। কিন্তু পৌরসভায় কাউন্সিলর প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার এমন বেহাল অবস্থা দেখে তারা অনেকটাই লজ্জিত।
জেলা শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মো. আবু তাহের জানান, আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য নূন্যতম একটা শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারন করে দিতে হবে। শিক্ষিত লোকদেরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী হতে হবে।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্বল্প শিক্ষিত প্রার্থী দাবি করেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তাদের বেশি না হলেও বাস্তব অভিজ্ঞতা তাদের কোনো কমতি নেই।
বার্তাবাজার/এসজে