প্রশ্নফাঁস চক্রে শিক্ষক ও ব্যাংক কর্মকর্তা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তি এবং সরকারি চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস চক্রে বেশকিছু শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তা এবং সাবেক-বর্তমান ছাত্রের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে চক্রে জড়িতদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এই প্রক্রিয়ায় ভর্তি হওয়া ও চাকরিপ্রাপ্তদের তালিকাও তৈরি হচ্ছে।

প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত ছয় মামলায় ৬৮ জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ৮৩ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্য এবং তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এ তালিকা তৈরি হচ্ছে। এ কাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ছাত্রত্ব বাতিল আর যারা চাকরি নিয়েছে, তাদের বরখাস্ত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। একটি মামলার অভিযোগপত্র অনুযায়ী ইতঃপূর্বে ৮৭ জন শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রশ্ন ফাঁসের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অভিযোগে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ৯ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করতে যে কোনো দিন চিঠি দেওয়া হতে পারে। ক্রিমিন্যাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা যুগান্তরকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

সূত্র জানায়, প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে হওয়া ছয়টি মামলার তদন্তভার পায় সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। এসবের মধ্যে দুইটি মামলার চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। চারটি মামলার তদন্ত এখনো চলছে। এসব মামলায় সিপিসি এ পর্যন্ত ৮৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে ৬৮ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সূত্র জানায়, বিভিন্ন কৌশলে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে চক্রের সদস্যরা। তারা নিত্যনতুন কৌশল পরিবর্তন করছে। একসময় ছাপাখানা থেকে প্রশ্ন ফাঁস করত। ধরা খাওয়ার পর এখন আর ছাপাখানা থেকে প্রশ্ন ফাঁস হচ্ছে না। এখন তারা ডিজিটাল ডিভাইস ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপকে প্রাধান্য দিচ্ছে। পরীক্ষার হল থেকে প্রশ্ন ফাঁস করতে চক্রের সদস্যরা পরীক্ষার কেন্দ্রকে ম্যানেজ করে ফেলছে। ২০-২৫ হাজার টাকার বিনিময়েই কেন্দ্র ম্যানেজ করা যায়। এ প্রক্রিয়ায় চক্রের সদস্যদের সঙ্গে যুক্ত থাকেন কেন্দ্রের পিওন থেকে শুরু করে পাহারায় থাকা শিক্ষকরাও। আর প্রশ্ন ফাঁসের মাধ্যমে চক্রের সদস্যরা জাতিকে যেমন মেধাহীন করছে, তেমনই হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা। আর এই টাকায় তারা তৈরি করছেন আলিশান বাড়ি। চালাফেরা করছেন বিলাসবহুল গাড়িতে।

সূত্র আরও জানায়, চক্রের সদস্যরা প্রথমে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করেন। যারা তাদের কন্ট্রাক্টে আসবে, তাদের আগে থেকেই অ্যাড করে নেন। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর দ্রুত ছবি তুলে সেটি গ্রুপে দিয়ে দেওয়া হয়। এরপর এক্সপার্টরা সেগুলো সলিউশন করে গ্রুপে দিয়ে দেন। যিনি যে বিষয়ে এক্সপার্ট, তিনি সে বিষয়ের উত্তরগুলোর সমাধান দেন। কেউ ইংরেজি, কেউ বাংলা, কেউ সাধারণজ্ঞান, কেউ বিজ্ঞান বা অন্য কোনো বিষয়ের সমাধান দেন। পরীক্ষা শুরুর ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই তারা প্রশ্নের সমাধান করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সেন্ড করে দেন। তখন এটি গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট সবার কাছে চলে যায়। এরপর ২০-২৫ মিনিটের মধ্যেই পরীক্ষা শেষ করে ফেলেন পরীক্ষার্থীরা।

সিপিসির অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান যুগান্তরকে জানান, চক্রের সদস্যরা আগে থেকেই কেন্দ্র ম্যানেজ করে রাখে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের পিওন থেকে শুরু করে অসাধু শিক্ষকরাও এর সঙ্গে জড়িত। পরিকল্পনা অনুযায়ী চক্রসংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডিউটি বণ্টন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রের ভেতর মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে পারেন না। কিন্তু কেন্দ্র ম্যানেজ করে রাখার কারণে তারা মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি মোবাইল ব্যবহার করে নকল করার সুযোগ পান। পরীক্ষা শেষে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপটি ডিলিট করে দেয়া হয়। এ কারণে এ সংক্রান্ত প্রমাণ পাওয়া যায় না। তিনি বলেন, অনেক অসাধু পরীক্ষার্থীর কানে ডিজিটাল ডিভাইস থাকে। তাদের মোবাইল ফোনে চিপসের মতো একটি জিনিস থাকে। ডিভাইস এবং মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রের ভেতর প্রবেশের পর বাইরে থেকে প্রশ্নের উত্তর বলে দেয় চক্রের অভিজ্ঞ গ্রুপ। আর কানে থাকা ডিভাইসের মাধ্যমে তা শুনে টিকচিহ্ন দেন প্রার্থী।

অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান বলেন, তেজগাঁওয়ে সরকারি বিজ্ঞান কলেজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোনসহ নাফিউল ইসলাম তাহসিন নামে এক পরীক্ষার্থীকে আটক করে ঢাবি কর্তৃপক্ষ। ২০১৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলা তদন্তকালে এ চক্রের আরও বেশ কয়েকজনের নাম বেরিয়ে আসে। এদের মধ্যে দুই ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ছয়জনকে সম্প্রতি গ্রেফতার করা হয়েছে। এ মামলায় গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলো-প্রশ্ন জালিয়াত চক্রের ‘দ্বিতীয় প্রধান’ অগ্রণী ব্যাংকের রাজশাহী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মানিক কুমার প্রামাণিক, জনতা ব্যাংকের ঢাকার দিলকুশা শাখায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান ওরফে শান্ত, তাদের সহযোগী রাশেদুজ্জামান ওরফে সজীব, হাসান মাহমুদ, শফিকুল ইসলাম ও রিপন কুমার।

সিপিসির বিশেষ পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম বলেন, সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া তাহসিনের কাছে পাওয়া ডিভাইসের তথ্য পর্যালোচনা করে ২২ ডিসেম্বর রাজধানীর মালিবাগ এলাকা থেকে হাসান মাহমুদ ও তার খালাতো ভাই রাশেদুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়। রাশেদুজ্জামান সিআইডিকে জানান, তিনি একটি কোচিং সেন্টারের ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন। চক্রে তার কাজ ছিল বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ইংরেজি অংশের সমাধান করা। তিন ‘এ’ লেভেল, ‘ও’ লেভেলে পড়াশোনা করেছেন। একসময় স্পোকেন ইংশিল ‘সাইফুর’স-এর শিক্ষক ছিলের। সজিবের সঙ্গে তার খালাতো ভাই হাসান মাহমুদও রয়েছেন।

আশরাফুল আলম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র রাকিবুল হাসানের মাধ্যমে রাশেদুজ্জামানও এই চক্রে যুক্ত। তার দেওয়া তথ্যমতে, ২৭ ডিসেম্বর বিকালে মতিঝিল থেকে রাকিবুল হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। রাকিবুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশোনা করেছে। সে চলতি বছরে জনতা ব্যাংকের দিলকুশা শাখায় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেয়। রাকিবুল হাসানের জবানবন্দি বিশ্লেষণ করে ব্যাংক কর্মকর্তা মানিক কুমার প্রামাণিকের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর ২৯ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৩টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে রাজশাহীর মোহনপুর থানা এলাকা থেকে মানিক কুমার প্রামাণিক, তার সহযোগী সাদিকুল ইসলাম ও রিপন কুমারকে গ্রেফতার করা হয়। মানিক কুমার প্রামাণিক রাজশাহীতে অগ্রণী ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসাবে কর্মরত।

প্রশ্নপত্র ফাঁস করে ও প্রশ্নপত্র সমাধানের জন্য বিভিন্নজনের কাছ থেকে তিনি তিন কোটি ৫৫ লাখ টাকার বেশি সংগ্রহ করেছেন। রাজশাহীতে গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর মোহরপুর ধামিন নওগাঁয় মানিকের একটি ডুপ্লেক্স বিলাসবহুল বাড়ি আছে। সেই বাড়িটির নির্মাণব্যয় প্রায় চার কোটি টাকা। তার নিশান ব্র্যান্ডের একটি বিলাসবহুল গাড়ি, সাতটি ব্যাংক চেক ও চারটি ডায়েরি জব্দ করা হয়েছে। রেবা ট্রেডার্স নামে একটি মুদি দোকানের বিপরীতে তার সিসি লোন আছে। সব লেনদেন ওই দোকানকে ঘিরেই দেখিয়েছেন। অথচ ওই দোকানটি তার চাচা গোপাল কুমার প্রামাণিকের নামে। দোকানে তেমন কিছু নেই। শুধু নামকাওয়াস্তে দোকান। তার লেনদেনের সব তথ্য চেয়ে শিগগির বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করা হবে। ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার পর অর্থপাচার মামলা হতে পারে।

সিপিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, তিন দিনের রিমান্ড শেষে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার জন্য সোমবার মানিক আদালতে গেলেও জবানবন্দি দেননি। তাকে ফের রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মানিকের সহযোগী রিপন কুমার জানায়, মানিকের নির্দেশে সে কেন্দ্র ম্যানেজ করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় টাকা দিয়ে আসত। ২০-২৫ হাজার টাকাতেই একটি কেন্দ্র ম্যানেজ হয়ে যায়।

সিপিসিরি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্যরা তিনটি গ্রুপে কাজ করে। একটি গ্রুপ পরীক্ষার্থী সংগ্রহ করে। অরেক গ্রুপ প্রশ্নপত্র সমাধান করে। অন্য গ্রুপটি কেন্দ্র ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে থাকে। প্রতারক চক্রের সদস্যরা রাজধানীর তেজগাঁও, মিরপুর এবং যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকার অনেক কেন্দ্র ম্যানেজ করার কথা জানিয়েছে। কেন্দ্র ম্যানেজ করে তারা ২০১৮ সালের কম্বাইন্ড সেভেন ব্যাংকার্স রিক্রুটমেন্ট, কম্বাইন্ড সেভেন ব্যাংকার অফিসার রিক্রুটমেন্ট, ২০১৭ ও ২০১৮ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ক’ ইউনিট এবং ২০১৮ সালের সরকারি হাইস্কুলের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি করে।

সিআইডির সিপিসি সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার আগের রাতে শহীদুল্লাহ হল থেকে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির তৎকালীন সহসম্পাদক মহিউদ্দিন রানা ও আবদুল্লাহ আল মামুন নামে দুই ছাত্রকে গ্রেফতার করে সিআইডি। ওইদিনই শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়। রানা-মামুনসহ এ মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ছিল তিনজন। তদন্তে আরও ১২২ জনের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে আসে। এ মামলায় গ্রেফতার ৪৭ জনের মধ্যে ৪৬ জনই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এ মামলায় গত বছরের জুন মাসে ১২৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেওয়া হয়। এই ১২৫ জনের মধ্যে ৮৭ জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এরই মধ্যে ৮৭ জনের ছাত্রত্ব বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়। এ মামলায় আসামি করা হয় ছয়জনকে। তদন্তে আরও ১১ জনের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে আসে। মামলায় এ পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে আদালতে ৯ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়। এ মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ছিল দুজন। তদন্তে আরও একজনের নাম বেরিয়ে আসে।

কওমি মাদ্রাসা বোর্ড মাস্টার্সের (দাওরায়ে হাদিস) প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে অজ্ঞাতদের আসামি করে ২০১৯ সালের ১২ মে মতিঝিল থানায় একটি মামলা হয়। তদন্ত চলাকালে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরই মধ্যে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ২০১৮ সালের ১৭ অক্টোবর মতিঝিল থানায় একটি মামলা হয়। এতে একজনকে আসামি করা হলেও তদন্তে আরও আটজনের নাম বেরিয়ে আসে। গ্রেফতারের পর তারা সবাই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সূত্র: যুগান্তর।

বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর