ঘনবসতিপূর্ণ ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও যানজট নিরসনের লক্ষ্যে ২০১৬ সালে মেট্টোরেলের কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে মেট্টোরেলের ৫২ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এপ্রিলে দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চলবে মেট্রোরেল। নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে যাত্রীরা উঠবে, ট্রেন থামবে প্রতি তিন মিনিট পরপর। উত্তরার তিনটি স্টেশনে ট্রায়াল রানের পরিকল্পনা থাকলেও আরও দুটি বাড়িয়ে মিরপুরকে যোগ করা হয়েছে।
এ লক্ষ্যেই প্রথম তিনটি স্টেশন তৈরি হচ্ছে। এছাড়াও থাকছে টিকিট কাউন্টার, যাত্রী ওঠানামায় সিঁড়ি, এস্কেলেটরসহ থাকবে লিফটের ব্যবস্থা। প্রতি তিন মিনিট পরপর যে ট্রেন থামবে সেই ট্রেনে যাত্রী ওঠা-নামা নির্বিঘ্ন করতে থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা। এছাড়াও পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে নির্ধারিত সময়ে ট্রায়াল রান হবে। উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টাল, উত্তরা দক্ষিণ এ তিনটি নিয়েই ট্রায়াল রান করার পরিকল্পনা।
তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করছি, এটাকে বাড়িয়ে শহরের ভেতরে ট্রায়াল রান করার। যাতে নগরবাসী স্বচক্ষে ট্রেনগুলো দেখতে পারে।
মেট্টোরেলের মোট ১৬টি স্টেশনের কাজ এখনো চলছে। এর মধ্যে প্রথম পাচটি স্টেশনের অবকাঠামো শেষ। অন্য সবগুলোতেও পিলার বসানো হয়েছে। ডিসেম্বরেই প্রথম লটের পাঁচটি রেল জাপানে তৈরি হবে বলে নিশ্চিত করেছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।
বার্তাবাজার/এস.জি