কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জহুরা বেগম নামের এক বৃদ্ধ মহিলার অর্ধ গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে ভৈরব থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯ টার সাতমূখী বিলের কামাল মিয়ার মাছের প্রজেক্টের কুচুরী পানার ভিতর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত বৃদ্ধার বাড়ি ভৈরব পৌর এলাকার দড়ি চন্ডিবের গ্রামে। মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের মেয়ে মমতা সনাক্ত করে যে মরদেহটি তার মায়ের।
জানা যায়, গত সোমবার সকাল ১০টার সময় সাতমূখী বিলে কামাল মিয়া তার মাছের প্রজেক্টের কুচুরীপনা পরিস্কার করার সময় এই মহিলার অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পায়। কিন্তু ভয়ে সে পুলিশ কে না জানিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরকে অবহিত করে। কিন্তু কাউন্সিলর রহস্য জনক কারণে বিষয় টি ভৈরব থানাকে আর জানায়নি। পরে মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টার সময় কামাল মিয়া ৯৯৯ ফোন দিয়ে মহিলার অর্ধগলিত মরদেহের খবরটি জানায়। ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে যায় এবং গলিত মরদেহটি উদ্ধার করে।
এ সময় সহকারী পুলিশ সুপার রেজোয়ান দিপু এবং ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃশাহিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং মরদেহটি থানায় নিয়ে আসেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে মহিলার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে গত মাসের নিখোঁজ ডাইরী চেক করে চন্ডিবের গ্রামের মমতা বেগম কে খরব দেয়া হয়। খবর পেয়ে মমতা বেগম নামের মরদেহ দেখে এবং মরদেহটি তার মা জহুরা বেগমের মরদেহ বলে সনাক্ত করে।
এবিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শাহিন বলেন, আমরা ৯৯৯ থেকে খরব পেয়ে বৃদ্ধ মহিলার গলিত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। পরে দড়ি চন্ডিবের এলাকার মমতা নামের এক মহিলা মরদেহর গলায় একটি চেইন দেখে মরদেহটি তার মা জহুরা বেগমের বলে সনাক্ত করে। সে ডিসেম্বর মাসের ২ তারিখে বাড়ী থেকে নিখোঁজ হয়। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের মর্গে প্রেরণ করা হবে। ময়নাতদন্তের পরই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এবিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত ২ ডিসেম্বর তার নিহত জহুরা বেগম বাড়ী থেকে নিখোঁজ হয়। এবিষয়ে ৬ ডিসেম্বর তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি লিপিবদ্ধ করা হয়।