‘গণতন্ত্রের অভিযাত্রা March for Democracy ভোটাধিকার চাই, কার্যকর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই’ এই শ্লোগান নিয়ে অভিযাত্রার ১৩তম দিনে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেছেন হানিফ বাংলাদেশী। প্রদক্ষিণকালে তিনি সর্বস্তরের মানুষের কাছে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করেন।
কর্মসূচি সম্পর্কে হানিফ বাংলাদেশী বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর ধরে সব শাসকদের দ্বারা জনগণের ভোটাধিকার কম বেশি লুণ্ঠিত হয়েছে, গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা সংকুচিত হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তিতে জনগণের প্রত্যাশা, ভোটাধিকার ও কার্যকর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। সংবিধান মতে রাষ্ট্রের মালিক জনগণ আর রাষ্ট্রের উপর জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠার প্রথম শর্ত ভোটাধিকার, যা ৫০ বছর ধরে লুণ্ঠিত হচ্ছে। জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকলে অন্যায় দীর্ঘায়িত হয় না।
তিনি আরও বলেন, এখন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার ক্ষমতা জনগণের হাতে নেই, সেকারনে দুর্নীতি দুর্বৃত্তায়ন মাথা ছাড়া দিয়ে উঠেছে। এখন কাঙ্খিত সেই ভোটাধিকার, কার্যকর গণতন্ত্রের দাবি নিয়ে দেশব্যাপী গণস্বাক্ষর কর্মসূচি দেশের প্রতিটি থানা শহর ও জেলা শহর প্রদক্ষিণ করে আগামী ২৬ শে মার্চ তেঁতুলিয়ায় গিয়ে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা March for Democracy সমাপ্ত করা হবে।
এর আগেও ২০১৯ সালের ১২ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল ভোটাধিকারের দাবিতে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পদযাত্রা করেন। একই বছর ১৪ মে নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে পঁচা আপেল নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত দুর্নীতি বন্ধের জন্য ৬৪ জেলার ডিসিকে স্বারকলিপি দিয়েছেন এবং দুর্নীতিবাজদের উদেশ্যে জেলায় জেলায় লালকার্ড প্রদর্শন করেছেন।
এছাড়া চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর প্রতীকি মরদেহ নিয়ে ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্ত অভিমুখে পায়ে হেঁটে সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
চলমান কর্মসূচিতে দেশবাসী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছেন হানিফ বাংলাদেশী।
বার্তাবাজার/এসজে