নতুন বছরে সরকারের পতন ঘটাবেন ফখরুলরা!

আসন্ন নতুন বছরে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারকে হটিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য শপথ নিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার(৩০ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এই শপথ নেওয়ার কথা জানান।

সমাবেশে মির্জা ফখরুল বলেন, এ বছর শেষ হয়ে যাচ্ছে। আগামী বছরে আসুন সবাই একটা সংকল্প করি। আমাদের সবার শপথ হবে ঐক্যের। আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েই এই দানবীয় সরকার, এই স্বৈরতান্ত্রিক সরকার, একনায়কতান্ত্রিক সরকারকে সরিয়ে সত্যিকার অর্থেই জনগণের একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করব জনগণের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। আসুন সেই লক্ষ্যে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই।

তিনি আরও বলেন, খুব দুঃখ হয়, লজ্জা হয় যখন দেখি আমাদের আজকের এ সমাবেশ আসতে বিভিন্ন স্থানে নেতাকর্মীদের বাধা দেয়া হচ্ছে। যখন দেখি এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে অসংখ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আর লজ্জা হয় যখন দেখি এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী বলছেন যে, তারা গণতন্ত্র দিয়েছেন বলেই নাকি দেশ খুব ভালো চলছে।

আজকের দিনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আজকের এ দিনটি হচ্ছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় একটি দিন। বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিল একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য, একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য। সেই আকাঙ্ক্ষা, সেই চেতনাকে ধ্বংস করে দিয়ে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে একটা প্রশাসনের জোরে নির্বাচন করে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে

একাদশ সংসদ নির্বাচনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে ‘ভোট ডাকতির’ অভিযোগ এনে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করছে বিএনপি। এই উপলক্ষে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে সমাবেশটির আয়োজন করা হয়।

সমাবেশকে ঘিরে পুলিশের সাথে বিএনপি নেতা কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে সমাবেশস্থলে আসার সময় অনেক নেতাকর্মী লাঠিচার্জের শিকার হন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর হাতে। প্রেসক্লাব ও আশেপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল সমাবেশকে উপলক্ষ্য করে।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর