কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্প থেকে দ্বিতীয় ধাপে স্বপ্রনোদিত ভাবে ভাসান চর যেতে ইচ্ছুক এমন ৪২৮ পরিবারের ১৮০৫ রোহিঙ্গা চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম পতেঙ্গা থেকে নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে।
মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টার পর চট্টগ্রামের বোট ক্লাব, আরআরবি ও কোস্টগার্ডের জেটি থেকে রোহিঙ্গাবাহী ৬টি জাহাজ ভাসান চরে রওনা করেছে বলে নিশ্চিত করেছেন নৌবাহিনীর চট্টগ্রাম নৌ-অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল মোজাম্মেল হক।

তিনি জানান, প্রথম ধাপে ১৬৪২ জনের একটা গ্রুপ ভাসানচরে অবস্থান করছে। গত কাল সোমবার রাতে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে রোহিঙ্গাদের দ্বিতীয় দল নিয়ে ৩০টি বাস চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গায় বিএফ শাহীন কলেজের মাঠে পৌঁছে। সেখানে রাতযাপন শেষে আজ মঙ্গলবার সকাল সাতটা থেকে বাস যোগে তাদের বোট ক্লাবে আনার কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১০টা দিকে স্বপ্রনোদিত হয়ে আসা ১৮০৪ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশু ভাসান চরের উদ্দেশ্যে রওনা করেছে। সবাইকে জাহাজে উঠার আগে মাস্ক, খাবার ও পাণীয় জল সর্বরা করা হয়। এই কার্যক্রমে কাউকে কোনো ধরনের জোর করা হয়নি। যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের সেখানে নিয়ে যেতে পারবে সেটাই মঙ্গল জনক হবে।

এদিকে নোয়াখালী পুলিশ সূত্র বার্তা বাজারকে জানান, ভাসান চরে নিরাপত্তার জন্য ৩ শতাধিক পুলিশ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। সেখানে নারী পুলিশ সদস্যও রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট পরবর্তী মিয়ানমারে সাম্প্রদায়িক নিপীড়নে উদ্বাস্তুহয়ে এদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেয় ১০লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। এসব রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় ৩৪টি আশ্রয় শিবিরে বিভক্ত হয়ে বসবাস করছে।
বার্তাবাজার/পি