ভোটারদেরকে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগ

সকাল থেকেই চলছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌরসভাসহ বিভিন্ন পৌরসভায় ভোট গ্রহণ। এদিকে সাহজাদপুর পৌর নির্বাচনে কেন্দ্রে নৌকা প্রার্থীর ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের এজেন্ট থাকলেও দেখা মেলেনি বিএনপি প্রার্থীর কোনো এজেন্ট।

বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের ইভিএম মেশিনে আঙ্গুলের ছাপ নেওয়ার পর নৌকা মার্কায় ভোট প্রদানের জন্য বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে।

ভোটদান শুরু হওয়া থেকেই ভোটার দের র্দীঘ উপস্থিতি দেখা গেছে। ইভিএমে এই প্রথম শাহজাদপুর পৌর নির্বাচন হচ্ছে। ইভিএমে বয়ষ্কদের বিড়ম্বনা থাকলেও অনেকেই আবার সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

নৌকার মনোনীত প্রার্ধী মনির আক্তার ভোট গ্রহনের শুরু থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুড়ে দেখলেও বাসা তেকে বের হয়নি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হাসান সজল।

বিএনপি প্রার্থীর সাথে কথা বলতে তাঁর বাড়ী গেলে তিনি বলেন, বাড়ীতে বসেই ফোনে ফোনে কেন্দ্রে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। আমার এজেন্টেদের কয়েকটা কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়ে আবার ডুকতেও দেয়নি অনেক কেন্দ্রে আমার এজেন্টদের।

মাহমুদুল হাসান সজল জানান, সঠিক ভাবে কাউন্সিলর প্রার্থীর ভোট হলেও প্রকাশ্যে অনৈতিকভাবে মেয়রের জন্য নৌকা মার্কায় ভোট নিচ্ছে।

এদিকে নৌকার মনোনীত প্রার্থী মনির আক্তার তরুলোদী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হাসান সজলের অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট উল্লেখ করে বলেন, শান্তিপূর্ন ও সুষ্টুভাবেই ভোট গ্রহন হচ্ছে।

বর্তমান মেয়র হালিমুল হক মিরু বলেন,বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হাসান সজল ঘরে বসেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মন গড়া অভিযোগ করছে। তার পিতা-মাতাই আওয়ামী লীগকে ভালোবেসে আওয়ামী লীগ করে।

এদিকে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার মো.আবুল হোসেন বলেন,বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টকে বের করার কোনো অভিযোগ আমি পাইনি। তবে জেনেছি যতটুকু তাতে অনেক কেন্দ্রেই এজেন্টই দেননি তারা।

বার্তাবাজার/এ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর