কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে,এসময় উভয় পক্ষের নারীসহ ১৫জন আহত হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধায় উপজেলার মজিদপুর গ্রামের পশ্চিম পাড়া মুর্শিদ মিয়ার বাড়িতে।
আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৯ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
গ্রামবাসী সুত্রে জানা যায় ওই পাড়ার নুর মোহাম্মদ গং ও মুর্শিদ গংদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল উক্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য সম্প্রতি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক মিয়া সরকার ও কড়িকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন ভূইয়া গ্রামের প ায়েতদের উপস্থিতে সমাধান করে এবং বাড়ি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করে দেন। কিন্তু উভয় পক্ষ বিচার মানলেও কেউ তাদের স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় শনিবার সন্ধায় মুর্শিদ গংরা দলবদ্ধ হয়ে নুর মোহাম্মদ গংদের পরিত্যাক্ত একটি ঘর ভেঙ্গে ফেলে এসময় উভয় পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পরলে উভয় পক্ষের নারীসহ ১৫জন আহত হয়।
আহতরা হলো নুরুল ইসলাম(৭০),সামির আলী(৩০), কুদ্দুছ(৬০), নিপা(২৫),কার্তিয়া বেগম(৬৫), সুমন(৩০), ফয়সাল(১৭), ওমর আলী হাজ্বী(৬৫), শাহিন(৪৫), বাদল(৩৩),জাহাঙ্গীর(৪৮), কাউছার(২৮), শিরিনা(৩০), মহসিন(৩৫) ও মিনরা বেগম(৪০)।
এ বিষয়ে নুর মোহাম্মদ(৬০) বলেন ফারুক চেয়ারম্যান ও মহসিন চেয়ারম্যান উপস্থিত থেকে বাড়ি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করে দিয়ে যাওয়ার পরও মুর্শিদ গং তাদের ঘর না সরিয়ে আমাদের ঘর জোর পূর্বক ভেঙ্গে ফেলেছে। অপর দিকে মুর্শিদ(৬৫) বলেন বিচারকরা বলে যাওয়ার পরও নুর মোহাম্মদগং আমাদের যায়গা থেকে ঘর সরায়নি পোলাপাইনে সকালে চালটি সরিয়ে দেওয়ায় সন্ধায় নুর মোহাম্মদগংরা সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের উপর হামলা করেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক মিয়া সরকার বলেন মহসিন চেয়ারম্যাসহ আমরা গ্রামের পঞ্চায়েত নিয়ে সমাধান করে দিয়েছি তার পরও দুই পক্ষের এমন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ দুঃখ জনক। তিতাস থানার ওসি সৈয়দ আহসানুল ইসলাম বলেন মজিদপুরে বাড়ির সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে তবে দুই পক্ষই অভিযোগ দিয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তাবাজার/পি