দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যা, আটক ৪

বগুড়ার ধুনটে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ৪ জন মিলে পালাক্রমে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। শুক্রবার রাতে আটক ৪ জন পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

নিহত শিশুর বাবার সাথে আসামী বাপ্পির পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে এ হত্যাকান্ড বলে বগুড়ার পুলিশ সুপার শনিবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস বিফ্রিংয়ে জানিয়েছেন।

পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুইয়া জানান, গত ১৪ ডিসেম্বর ধূনট উপজেলার নশরতপুর গ্রামে ইসলামী জলসা থেকে ওই ছাত্রী হারিয়ে যায়। রাতেই জলসার পাশে একটি টেনিক্যাল কলেজে তার ক্ষত-বিক্ষত মৃতদেহটি পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে ১৫ ডিসেম্বর ধুনট থানায় মামলা হলে একই গ্রামের শামীম রেজাকে আটক করলে সে ঘটনার বিবরন দিয়ে অন্য আসামী একই গ্রামের বাপ্পি আহম্মেদ, কামাল পাশা, লাবলু শেখের নাম বলে এবং লোমহর্ষক ধর্ষনের পর হত্যাকান্ডের বিবরন দেয়।

পুলিশ সুপার জানান, প্রধান আসামী বাপ্পি আহম্মেদ এর পরিবারের সাথে নিহত ছাত্রীর বাবা বেলাল হোসেনের দ্বন্দ্ব ছিল। এ দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকান্ড।

পুলিশ শনিবারে আসামীদের আদালতে সোর্পদ করে ৮ দিনের রিমান্ড চাইবে। ঘটনার সময় নিহতের বাবা মা ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকুরীরত ছিল। সে তার দাদা দাদীর সাথে থাকতো।

বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর