জামালপুরে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, হামলায় চিকিৎসকসহ আহত ১০

জামালপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে হামলা ভাংচুর ও দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ডাক্তার ও রোগীর স্বজনসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রয়ণে আনে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় শহরের ইকবালপুর এলাকার করিমন নেছা (৫৫) মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে অসুস্থতাবোধ করেন। পরে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরি বিভাগের ডাক্তার তাকে ভর্তি করেন।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, ভর্তির পর অনেক ডাকাডাকি করেও কোন ডাক্তার বা নার্স কাউকে খোঁজে পাওয়া যায়নি। এ অবস্থায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন করিমন নেছা। খবর পেয়ে জরুরি বিভাগের ডাক্তার এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে রোগীর স্বজন ও স্থানীয় বিক্ষুব্ধ মানুষ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ সময় কয়েক ডাক্তার ও স্টাফ আহত হন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর তিনটার দিকে হাসপাতালের ইন্টানি ডাক্তাররা এসে রোগীর স্বজনদের উপর হামলা করে। এ সময় একটি মোটর সাইকেল ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ইন্টানি ডাক্তাররা হাসপাতালে ঘন্টাব্যাপী তা-ব চালায়। এ সময় পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে ও বেশ ক’জন ইন্টানি ডাক্তারকে আটক করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সদর থানার ওসি রেজাউল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়া মাত্র পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ বা মামলা না করায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার উত্তম কুমার সরকার জানান, হামলার ঘটনায় ইমারজিন্সি মেডিকেল অফিসার চিরঞ্জীত টুটুল ও ইন্টানি ডাক্তারসহ অনন্ত ৭ জন আহত হয়েছে।

বার্তাবাজার/এ.আর/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর