অনিয়মকে নিয়মে পরিনত করে চলছে রমরমা বালু ব্যবসা। নেই তদারকি, নেই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ। অপর দিকে ভাঙ্গছে ডানতীর। নিঃস্ব হচ্ছে নদীর তীর বর্তি মানুষ। বার বার করতে হচ্ছে তাদের পুনর্বাসন। থমকে যাচ্ছে তাদের জীবিকার মান।
শুধু নদী থেকে বালু উত্তোলনই শেষ নয় অপর দিকে জমে উঠেছে ড্রেজার ব্যবসা। সংবাদ প্রকাশের পরও কাজে আসছে প্রশাসন। অপরদিকে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ চিলমারী ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্প পরিদর্শনে এসে বালু উত্তোলন বন্ধের তাগিদ দেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি।
এরই পেক্ষিতে বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়া ইলেকট্রনিকস মিডিয়ায় ‘চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে বালু উত্তোলন বন্ধের তাগিদ দিলেন -পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী’ এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করলেও কাজে আসে নি। থেমে থাকেনি বালু উত্তোলন, চলছে তাদের ব্যবসা।
তবে কি অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের ক্ষমতাই বেশি? এমন প্রশ্ন সাধারণ জনগণের।
সরেজমিনে চিলমারীর বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা যায়, লাগামহীন ভাবে চলছে বালু উত্তোলন, বালু ব্যবসা। প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বালু উত্তোলনে ব্যস্ত কিছু অর্থ-লোভী, কুচক্রী মহল।
বালু উত্তোলনে কি শুধু নদীই ভাঙ্গছে! ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চিলমারীর প্রধান প্রধান সড়ক। বেড়েছে বালু পরিবহন কৃত গাড়ি। থেমে থাকেনি সড়ক দূর্ঘটনা।
এলাকাবাসী বলেন, আমরা নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা পেতে চাই। তারা বালু ব্যবসা করে লাভবান হচ্ছে কিন্তু আমরা বিলিন হচ্ছি নদী গর্ভে।
সেই সঙ্গে এলাকাবাসী একাধিক বার মানববন্ধন করলেও কোনো সুফল মেলেনি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ্ বলেন, অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং যারা অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তাবাজার/পি