ভোলার বোরহানউদ্দিনে সাইফুল ইসলাম নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষক তার কামিল (মাস্টার্স) পড়ুয়া স্ত্রীকে নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে দিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে উদ্ধার করেছে দৌলতখান থানা পুলিশ।
এর আগে মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) বিকালে নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তিনি স্বামীর ভাড়া বাড়ি থেকে পালিয়ে দৌলতখানের চরপাতায় বাবার বাড়িতে চলে আসেন। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম উপজেলার দারুস সুন্নাত মডেল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হসিয়াবে কর্মরত আছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ও ভুক্তভোগী নারীর চাচা জানান, পিতাহারা মেয়েটিকে তারাই লালন পালন করেছেন। গত ১৪ এপ্রিল বোরহানউদ্দিন উপজেলার মাদ্রাসা শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সাথে তারাই বিয়ের ব্যবস্থা করেন। মেয়েটি চলতি বছর কামিল পরীক্ষা দিয়েছেন।
তারা আরও জানান, সাইফুল অন্য নারীর সাথে পরকীয়ায় আসক্ত। সেটা জানার পরে প্রতিবাদ করায় নানা অযুহাতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে মেয়েটি। গত দু’দিন আগে তার মাথার চুল কেটে তা আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে সাইফুল। শরীরেও অসংখ্য মারধরের চিহ্ন আছে।
অভিযুক্ত সাইফুলের বাবা তৈয়বুর রহমানও ছেলের বিচার দাবি করে বলেন, বিয়ে করে আমাদের ফেলে রেখে সাইফুল অন্যত্র চলে গেছে। আমাদের বাড়ি থাকা সত্বেও বসবাস করতো ভাড়া বাড়িতে। সে যদি অপরাধ করে থাকে তাহলে আমি চাই তার বিচার হোক।
তবে সাইফুলের পরামর্শে তার বাবা তৈয়বুর রহমান নির্যাতিত পূত্রবধূকে ফিরিয়ে আনতে গেলে স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়েন।
বার্তাবাজার/এসজে