অফিসারদের চাকরি থেকে অবসর গ্রহনের বয়স বৃদ্ধি করাসহ ১৩ দফা দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) অফিসার্স এসোসিয়েশন।
সোমবার (২১ ডিসেম্বর) সংগঠনটির আহ্বায়ক আমলগীর হোসেন খান এবং সদস্য সচিব আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক স্মারকলিপিতে এ দাবি জানানো হয়।
গত ১৩ ডিসেম্বর অফিসার্স এসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ১৩ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাদের দাবিসমূহ হলো- অফিসারদের চাকরি থেকে অবসর গ্রহনের বয়স ৬০ থেকে ৬৫ বছরে উন্নীতকরণ, পেনশন নীতিমালা পূর্বের মত বাস্তবায়ন। অফিস সময় সকাল ৮টা থেকে ৩টা পর্যন্ত বাস্তবায়ন, উপ-রেজিস্ট্রার (সমমান) পদের অফিসারদের বেতন ক্ষেল ৪নং গ্রেড প্রাপ্তির তারিখ থেকে কার্যকর করা এবং সহকারী রেজিস্ট্রার (সমমান) পদের বেতন স্কেল ৬নং গ্রেড সরাসরি বাস্তবায়ন, সকল দপ্তরের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার পদ দ্রুত পূরণ করতে হবে।
কল্যাণ তহবিলের অর্থ ৩টি মোট বেতন ও ভাতার পরিবর্তে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত ১৮টি বেতন ও ভাতা প্রদান, চিকিৎসা কেন্দ্রে কর্মরত সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসারদের ডেপুটি চীফ টেকনিক্যাল অফিসার পদে পদোন্নতি ও আপগ্রেডিং করা, পদোন্নতি প্রাপ্ত ৭-৮ জন অফিসারকে প্রাপ্তির তারিখ থেকে প্রাপ্ত সুবিধা প্রদান, উপ-প্রধান প্রকৌশলী পদকে আত্মীকরণের মাধ্যমে সংশোধন পূর্বক তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদ হিসেবে কার্যকর করা, সিনিয়র পেশ ইমাম পদ চুড়ান্ত অর্গানোগ্রামে অন্তর্ভূক্তকরণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পোষ্য কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে স্থায়ী নীতিমালা, সকল দপ্তর প্রধানের পদে স্থায়ী নিয়োগ কার্যকর করা, শাখা কর্মকর্তা থেকে সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতি আপগ্রেডিং ৫বছর ও সহকারী রেজিস্ট্রার থেকে উপ-রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতি আপগ্রেডিং ৫ বছর সর্বমোট ৫+৫=১০ বছর করা।
এছাড়া গত ৭ ডিসেম্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির পাঠানো স্মারকে অফিসারদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো এবং এধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে বিব্রত না করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি ঐ স্মারকলিপিতে আহ্বান জানানো হয়।
বার্তাবাজার/এ.আর