উন্মুক্ত স্থান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে থার্টি ফার্স্ট নাইটের কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। হোটেল বা রেস্তোরাঁয় ডিজে পার্টির নামে কোনো কক্ষ বা স্পেস ভাড়া নেওয়া যাবেনা বলেও তিনি জানান।
সোমবার (২১ ডিসেম্বর) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে থার্টি ফার্স্ট নাইট ও বড়দিন উপলক্ষে এক সমন্বয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে থার্টি ফার্স্ট নাইটে বন্ধ থাকবে সব বার। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। তবে আগের মতই রাত ৮টা পর বন্ধ করতে হবে।
বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টানদের চার্চেও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকায় অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে। প্রতিটি চার্চে সাদা পোশাক পরিহিতও অনেক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টিত থাকবে অনুষ্ঠানস্থল।
মোহা. শফিকুল ইসলাম জানান, চার্চে উপস্থিত সবারই মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক। তাছাড়া সবখানেই বরাবরের মত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থদেরকে চার্চে আসায় উৎসাহিত করা যাবে না।
সমন্বয় সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ ও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সেবাদানকারী সংস্থার সংশ্লিষ্টরা।
বার্তাবাজার/এসজে