গত ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনে বিএনপির কিছু নেতা কর্মীদের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর দলের ২ ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও শওকত মাহমুদকে কারণ দর্শানোর নোটিশকে (শোকজ) কেন্দ্র করে উল্টো অস্বস্তিতে পড়েছে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব।
দলের ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানিয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে কারণ দর্শানোর জবাব দেন। এতে উল্টো অস্বস্তিতে পড়েন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এই অবস্থায় হাফিজ উদ্দিনকে বোঝাতে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে তৎপরতা চলছে। চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ইতিবাচক মনোভাবের কথা হাফিজ উদ্দিনকে জানানো হয়েছে।
হাফিজ উদ্দিনের ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, হাফিজ উদ্দিনকে দেয়া নোটিশে ১১টি বিষয়ে জবাব চাওয়া হয়েছে। আর তিনি প্রতিটির জবাব দিয়েছেন। যেহেতু গণমাধ্যমকে জানিয়ে নোটিশ দিয়েছে বিএনপি, হাফিজ উদ্দিনও গণমাধ্যমকে জানিয়ে জবাব দেয়াকে সমীচীন মনে করছেন।
উল্লেখ্য, গেল ১৪ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আলোচনা সভায় অংশ নেন দলটির ২ ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজ উদ্দিন ও শওকত মাহমুদ। পরে ওই অনুষ্ঠান শেষে বিএনপির নেতা–কর্মীদের একটি দল পুরানা পল্টন মোড় ও জিরো পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের সরিয়ে দেয়। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের কেউ কেউ মনে করেন, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নেতা–কর্মীদের বিভ্রান্ত করে এ ধরনের বিক্ষোভ করার পেছনে হাফিজ উদ্দিন ও শওকত মাহমুদ দায়ী। এরপর ওই দিন সন্ধ্যায় ২ জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিএনপি। তাতে শওকত মাহমুদকে ৭২ ঘণ্টা ও হাফিজ উদ্দিনকে ৫ দিনের সময় দেয়া হয়। নোটিশে সই করেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বার্তাবাজার/পি