চলতি বছরের শেষ তিন মাসে রাজশাহীর পদ্মার চরের শেষাংশের গ্রাম খানপুর সীমান্তে প্রায় এক হাজার পিসের মত ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি।
দেশেরর সীমান্তরক্ষী এই বাহিনীটির দাবি, মিয়ানমার থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে খানপুর সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা নিয়ে কেউ আসবে না। উদ্ধারকৃত ইয়াবা ভারতের কোনো জায়গা থেকে আসছে।
বিষয়ের বিজিবির খানপুর ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার মানিক দেবনাথ জানান, বিজিবি সদস্যরা টহল দেওয়ার সময় ব্যাগ বা বস্তা উদ্ধার করে। তখন সেগুলোর ভেতর থেকে গত ৩০ নভেম্বর ৮০ পিস ইয়াবা ও ৮৯ পিস ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। তার আগে দফায় দফায় উদ্ধার করা হয় প্রায় হাজার পিসের মত ইয়াবা টেবলেট।
তিনি আরও জানান, এসব মাদক দ্রব্যের সাথে মালিক হিসাবে কাউকে পাওয়া যায়না। তাই আসামি ছাড়াই মামলা করতে হয়। ধরণা করা হচ্ছে, এপারের কোনো মাদক ব্যাবসায়ীর আত্মীয় স্বজন ওই পারে থাকে। তাদের কেউ এসব দ্রব্য বস্তায় বা ব্যাগে করে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে ফোনে যোগাযগ করে বলে দেয় বস্তার অবস্থান। সেই মোতাবেক হয়তো কেউ এসব নিয়ে যায়।
বিজিবির এই কর্মকর্তা জানান, এসব ব্যাপারে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদেরকে নজরদারি করা হয়।। তবে এই গ্রামের কেউ মাদক কারবারের সাথে যুক্ত নয়। এই সীমান্ত দিয়ে কোনো চোরাচালানও হয়না।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, এই এলাকায় প্রায় ২ হাজার মানুষের বসবাস। তারা সবাই কৃষিকাজের সাথে জড়িত। সবাই সবাইকে চেনেন। এমনকি বিজিবির সদস্যদের সাথেও তাদের সবার ভাল জানাশোনা আছে।
বিজিবির রাজশাহী সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ জানান, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে আগের চেয়ে টহল বাড়ানো হয়েছে। এজন্য বিজিবি সদস্যদেরকে বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, চার চাকার ভেইকেল ও ইঞ্জিনচালিত স্পিডবোটসহ যাবতীয় সরঞ্জামাদি দেওয়া হয়েছে। তাদের তৎপরতায় আগের চেয়ে অনেক কমেছে মাদকের চোরাচালান।
বার্তাবাজার/এসজে