করোনাকালে বিদেশ গিয়েছেন মাত্র ৮ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক

সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস ব্যাপকভাবে তাণ্ডব চালানো শুরু করলে তার প্রভাব পড়েছিল বাংলাদেশের অভিবাসন খাতেও। প্রতিবছর লাখ লাখ শ্রমিক বিদেশ গেলেও করোনাকালে তা কমে এসেছে হাজারের ঘরে।

জানা যায় এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত দেশের কোনো শ্রমিকই কর্মের জন্য বিদেশ যেতে পারেননি। জুলাই থেকে চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত গিয়েছেন মাত্র ৮ হাজার কর্মী। অথচ অন্যান্য বছর এই কয়েকমাসে দেশ থেকে কয়েক লাখ কর্মী বিদেশে পাড়ি জমাতো কাজের জন্য।

বাংলাদেশে অভিবাসন সেক্টরে যে ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নিতে আরও কয়েক বছর সময় লাগতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এই অবস্থা চলতে পারে অনেকদিন।

বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো জানায় করোনাকালে কর্মহীন হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন অন্তত সাড়ে তিনলাখ প্রবাসী। যারা বিদেশে যাওয়ায় প্রস্তুতি নিচ্ছিল তারাও লকডাঊনের কারনে দেশত্যাগ করতে পারেননি।

আগে প্রতিবছর সাত থেকে আট লাখ কর্মীকে বিদেশ পাঠানো গেলেও চলতি বছরের করোনার আগে ও বর্তমান সময় মিলিয়ে ১ লাখ ৯০ হাজার কর্মী বিদেশ যেতে পেরেছেন। তাদের ৯৬ শতাংশই গিয়েছেন করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু আগে।

এ বিষয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জাহাঙ্গীর আলম জানান, “মানুষ এখন জীবন জীবিকার জন্য ঘর থেকে বের হতে শুরু করেছে। বিদেশেও শ্রমিক দরকার, আমরাও দিতে চাই। আরব দেশগুলোতে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ সেভাবে আসেনি। তাই এরিমধ্যে অল্প অল্প করে ওই দেশগুলোতে যাওয়া শুরু হয়েছে। সামনে এটা আরও বাড়বে।”

তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ার বাজার যদি খুলে যায় তাহলে আরও বেশি সংখ্যক শ্রমিক পাঠানো সম্ভব হবে। উজবেকিস্তান, রোমানিয়াসহ নতুন কয়েকটি দেশে শ্রমিক পাঠানো হচ্ছে। সূত্র-বিবিসি বাংলা।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর