কলাপাড়ায় বন বিভাগের জমি দখল করে নির্মান হচ্ছে পাকা স্থাপনা

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে বন বিভাগের জায়গা দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আরসিসি পিলার ঢালাই সম্পন্ন করেছে মেসার্স এ আর ফিসের মাছের আড়ৎ। সরকারি এ সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মহিপুর রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা মহিপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি ও জেলা বন কর্মকর্তা বন কর্মকর্তার বরাবর লিখিত আবেদন করলেও বন বিভাগের জায়গায় পাকা স্থাপনা নির্মান অব্যাহত রয়েছে। যদিও দখলদার রাসেল আকনের দাবি তিনি এ জমি ডিসিআর নিয়ে স্থাপনা নির্মান করেছেন।

বন বিভাগের দাবী, উপজেলা মহিপুর রেঞ্জের কুয়াকাটা বিট অফিসের আওতাধীন শিববাড়িয়া মৌজার ৪ নং বিএস খতিয়ানের ১৬ শতাংশ জমি অবৈধভাবে দখল করে মো. রাসেল আকন, মোসা. রাহিমা, মনিরা বেগম ও সোহাগ আকন দখল করে মাছের আড়ত ও চায়ের দোকান নির্মান করে। বর্তমানে এ আর ফিসের মালিক মো. রাসেল আকন ওই দখল করা জায়গায় আরসিসি কলম দিয়ে পাকা স্থাপনা নির্মান শুরু করেছে।

মহিপুর বন বিভাগের কর্মচারিরা জমি দখলে বাঁধা প্রদান করলে তাদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শণ করা হয় বলে মহিপুর থানায় দায়ের জিডিতে মহিপুর রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা আবুল কালাম মো. ইছা উল্লেখ করেন।

মহিপুর রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা আবুল কালাম মো. ইছা বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর বন বিভাগের ১৬ শতক জায়গা দখল মুক্ত করতে দখলদারদের নোটিশ করা হয়েছে। কিন্তু দখলদাররা অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। এমনকি নির্মানাধীন বাউন্ডারির মধ্যে এখন নদীর তীর ঘেষে পাকা স্থাপনা নিমার্ন শুরু করেছে রাসেল আকন। এ দখলের বিষয়টি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি), মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জেলা বন কর্মকর্তাকে অবহিত করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও সরকারি সম্পত্তি দখল করে স্থাপনা নিমার্ণ করা হয়েছে। বন বিভাগের জমি এখন সমন্বিতভাবে দখল উচ্ছেদের ব্যবস্থা না নিলে এভাবেই দখল হতে থাকবে সরকারি সম্পত্তি। কেননা বন বিভাগের একার পক্ষে এ জমি উদ্ধার করা সম্ভব না।

এ ব্যাপারে এ আর ফিসের মালিক রাসেল আকন জানান, আমি এ জমি ডিসিআর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছি। আমার ডিসিআর নেয়া জমিতে আমি স্থাপনা নিমার্ন করছি। এখন বন বিভাগ ওই জমি তাদের দাবি করছে।

কলাপাড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল জানান, ও জমি ভূমি প্রশাসন নাকি বন বিভাগের তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বার্তাবাজার/এ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর