যশোরের শার্শা উপজেলার ধান্যখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণ কাজে অনিয়মের অভিযোগে নতুন ভবন ভাঙচুর করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও গ্রামবাসী।
বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেলে বাহাদুরপুর ইউনিয়ন পরিষদের পাশে নির্মাণাধীন এ ভবনটিতে ভাঙচুর করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দুই কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ধান্যখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ পায় যশোরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এন আই ট্রেডার্স’। গত বছরের ৩ জুলাই এ ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। নির্মাণের শুরুতেই অনিয়মের অভিযোগ ছিল। যে কারণে এর আগেও একবার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে করা নির্মাণ কাজ ভাঙচুর করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ভবনটির ভিত এতো নিচু করে করা হয়েছে যে, বৃস্টির পানি গড়িয়ে ক্লাসের মধ্যে ঢোকার আশংকা রয়েছে। এছাড়া রড, সিমেন্টে ফাঁকি দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এতে ভবনটি যেমন দীর্ঘস্থায়ী হবে না, তেমনি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। ফলে টেকসই আর নিরাপদ ভবন চান তারা।
ধান্যখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুভাসচন্দ্র মণ্ডল বলেন, বার বার সতর্ক করা হলেও ঠিকাদারের লোকজন অনিয়ম করে ভবনের কাজ চালিয়ে গেছে। যে কারণে নির্মাণাধীন ভবনের কিছু অংশ ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা সঠিক নিয়মে কাজ চাই। শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিতে রাখতে চাই না।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এন আই ট্রেডার্সের প্রতিনিধি রবিউল ইসলাম বলেন, নির্মাণ কাজে তেমন কোনো অনিয়ম হয়নি। ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শে কাজ হয়েছে। তবে নির্মাণ শ্রমিকরা স্কুলের বারান্দার কাজ করার সময় এক জায়গায় কম রড ব্যবহার করেছে বলে জানতে পেরেছি। অভিযোগ পাওয়ার পর তা ঠিক করা হবে জানালেও স্কুলের লোকজন ভাঙচুর করেছে।
শার্শা উপজেলা শিক্ষা অফিসার হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, স্কুল ভবন ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে সে রকম কিছু ঘটলে তদন্ত করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তাবাজার/এ.আর