বাড়ি দখল, নির্যাতন ,চাঁদাবাজিসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের বিরুদ্ধে কথা বলতে চায় না কেউ। সম্প্রতি তার অপকর্ম থেকে রক্ষা পেতে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন কেউ কেউ । পুলিশ বলছে অভিযোগের তদন্ত চলছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সাঁথিয়ার দৌলতপুরে একটি বাড়ি নির্মাণ করেন প্রভাষক নুরুল ইসলাম। তবে নিজের বাড়িতে বাস করার সৌভাগ্য হয়নি। নুরুল ইসলামের অভিযোগ নির্মাণের পরেই পরিবারের উপর নজর পড়ে পাশের বাড়ির বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তপন হায়দার সানের।
বাড়ি থেকে তাকে উচ্ছেদে উঠেপড়ে লাগেন তপন হালদার । অবৈধ অস্ত্র, মাদক দিয়ে ফাঁসাতে না পারায় টর্চার সেলে নিয়ে নির্যাতন করা হয় নুরুল ইসলামকে। প্রাণভয়ে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন নুরুল ইসলাম।
একইভাবে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শামসুল হকের বাড়ি দখলের অভিযোগ তপন হায়দারের বিরুদ্ধে। বাড়ি দখল ছাড়াও চাঁদাবাজি ও শ্রমিকদের মারধর সহ নানা অভিযোগ স্থানীয় আওয়ামী লীগের এই নেতার বিরুদ্ধে । কিছুদিন আগে তার অপকর্ম থেকে রক্ষা পেতে প্রধানমন্ত্রী কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয় কয়েকজন । পুলিশ বলছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে চলছে তদন্ত।
তবে সব অভিযোগ অসত্য বলে দাবি তপন হায়দারের। সবই রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে জানান তিনি।
২০১১ সালে সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তপন হালদার । অভিযোগ- এরপর থেকেই ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন তিনি।
বার্তা বাজার/এস.এস