ফরিদপুরে পাট শিল্পের উন্নয়ন ও বহুমুখিতা নিশ্চিতকরণে সেমিনারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও পাট অধিদপ্তরের আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুর জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া।
এসময় প্রধান অতিথি বক্তব্যকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাজারে পাটের খোলা বীজ আসার আগে কৃষকদের ম্যাসেজ দিতে হবে এর নেতিবাচক সম্পর্কে। এজন্য কৃষকদের মাঝে পাট সম্পর্কে মোটিভেশনাল করা হবে।
সচিব বলেন, আমি মনে করি পাটের জন্মভূমি ও পবিত্রভূমি এই ফরিদপুর; এটা বাস্তব। সুতরাং এই পাটের উন্নয়নের আমাদের বিভিন্ন উদ্যোগমূখী কাজ করতে হবে। পাট উৎপাদনের বিষয়ে কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সে বিষয়ে পাট মন্ত্রণালয় কৃষকদের নিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করেছেন। পাটের আয়ুস্কাল ১২০ দিন থেকে ৯০ দিন করার জন্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং পাট ও পাটবীজ উৎপাদনে তাপমাত্রার বিষয়টা নিয়ে বিশেষ বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি বীজে স্বয়ংসম্পন্ন হওয়ার জন্য যা যা দরকার তার জন্য এ্যাকশন কমিটি করা হবে, আশা করি এটা নিয়ে অসুবিধা হবে না।
এ সময় তিনি পাটের বড় বড় ব্যবসায়ীদের কার্পেটিং ইন্ডাষ্ট্রি করার জন্য অনুরোধ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বকালে জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, পাটের মানোন্নয়ন করার লক্ষে পাট সম্পর্কে ফরিদপুরে মিউজিয়াম করলে ভালো হবে, এজন্য বড় বড় পাট ব্যবসায়ীদের এর সাথে সংযুক্ত হতে হবে। প্রয়োজনে সেখানে একটি হেল্পডেস্কও করা হবে।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ শাহ আলম, বিজেএমই এর মোঃ জাহিদ মিয়া, করিম জুট মিলের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, পাট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মরিয়াম বেগম, ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি আওলাদ হোসেন বাবর, মাজেদা জুট ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপণা পরিচালক সাইফুল ইসলাম, রাজ্জাক জুটমিলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল বাশার, কৃষি সম্প্রাসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. হযরত আলী, বিএডিসির বীজ উৎপাদনের পরিচালক মোঃ জুলফিকার আলী প্রমুখ।
বার্তাবাজার/এ.আর