বগুড়ার শেরপুরে ৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী কিশোরী ফাহিমা(১৩)কে জো‘রপূর্ব‘ক অ‘পহ‘রণ করে নিয়ে যায় এরশাদ নামের এক যুবক ও তার সহযোগীরা।
ঘটনাটি গত ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের ভীমজানি গ্রামে ঘটে। এর প্রেক্ষিতে ওইদিন শেরপুর থানায় একটি অ‘ভিযো‘গ দা‘য়ের করে অপ‘হৃতার পরিবার। এদিকে ঘটনার ১১দিন অ‘তিবাহি‘ত হলেও শেরপুর থানা পুলিশ অ‘পহক‘রণকা‘রীকে গ্রে‘ফতা‘র না করায় ১৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
সাংবাদিক সম্মেলন সূত্রে জানা যায, উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের ভীমজানি গ্রামের ফেরদৌস রহমানের স্কুল পড়–য়া ১৩ বছরের মেয়ে ফাহিমা কে স্কুল যাওয়া-আসার পথে এরশাদ নামের এক যুবক কু‘প্র‘স্তাব দিয়ে আসতো। কিন্তু ফাহিমা রাজী না হওয়ায় নানা ভ‘য়ভী‘তি দেখাতো ওই যুবক। যুবক এরশাদ সিরাজগঞ্জ জেলার সলংগা থানার পেতনিপাড়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। সে ভীমজানি গ্রামের সুমু হোসেনের মেয়েকে বিয়ে করে শশুড়বাড়ীতে বসবাস করছিল। এদিকে ল‘ম্প‘ট যুবকের কু-প্র‘স্তা‘বে রাজী না হওয়ায় গত ৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা অনুমান ৬টার দিকে লম্পট এরশাদ ও তার সহযোগীরা পূর্ব পরিক‘ল্পিত‘ভাবে কিশোরী ফাহিমাকে জো‘রপূ‘র্বক টে‘নে হেচ‘ড়ে সিএনজিতে তুলে নিয়ে চলে যায়।
এসময় ফাহিমার চি‘ৎকা‘রে আশেপাশের প্রতিবেশী কয়েকজন ছুটে আসলেও সিএনজিসহ অপ‘হরণ‘কা‘রীদের আ‘টকা‘তে পারেনি।
এ ঘটনার প্রে‘ক্ষি‘তে অপ‘হৃতা‘র কিশোরীর পিতা ফেরদৌস রহমান বাদি হয়ে অ‘পহ‘রণকা‘রীদের বি‘রু‘দ্ধে শেরপুর থানায় একটি অ‘ভি‘যো‘গ করেন। অ‘পহ‘রণের ১১দিন অতিবাহিত হলেও থানা পুলিশ ওই কিশোরী উ‘দ্ধা‘রসহ অপ‘হরণ‘কারীদে‘র গ্রেফতার করতে না পারায় হ‘তাশা ও শং‘কায় রয়েছে কিশোরীর পরিবার।
এ ব্যাপারে ১৭ ডিসেম্বর দুপুরে শেরপুর উপজেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে অ‘পহৃ‘তা কিশোরীর পিতা ফেরদৌস, মা আন্না খাতুন, দাদা আমজাদ হোসেন, দাদী ফাতেমা খাতুন কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, অপ‘হরণকা‘রী একজন ল‘ম্প‘ট ও দু‘শ্চ‘রিত্রের লোক। তার বি‘রু‘দ্ধে একাধিক অ‘ভিযো‘গ রয়েছে এলাকায়। তারা দ্রুত অপহ‘রণকা‘রীদের গ্রে‘ফতার ও কিশোরী ফাহিমাকে উ‘দ্ধা‘রের দাবী জানান।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, এ সংক্রা‘ন্ত অ‘ভিযো‘গ পেয়েছি, অপ‘হরনকা‘রীকে গ্রে‘ফতা‘রপূর্বক কিশোরী উ‘দ্ধা‘রের চেষ্টা চলছে।
বার্তাবাজার/এ.আর