বঙ্গবন্ধুর ছবির পাশে ৭১’র বিত‘র্কি‘ত ব্যক্তির ছবিতে তোলপাড়
চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার নন্দনপুর উচ্চ বিদ্যালয় অফিস কক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি পাশে ৭১’র বিত‘র্কিত ব্য‘ক্তি ও মুসলিম লীগ নেতা মৌলভী ইদ্রিছ মিয়ার ছবি সাটানোয় এলাকার জনমনে প্রচন্ড ক্ষো‘ভের সৃষ্টি হয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবির পাশে অন্য কারো ছবি সাটানোর আইনে না থাকলেও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিজের খেয়াল খুশি মতো তা অমা‘ন্য করে ৭১’র বিতর্কিত ব্যক্তি ও মুসলিম লীগ নেতা মৌলভী ইদ্রিছ মিয়ার ছবি সাটায়। এ নিয়ে এলাকায় তোপের মুখে পড়ের ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হারাধন চন্দ্র বলেন, ‘উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশ পেয়ে ছবিটি নামিয়ে ফেলেছি। আমি বিদ্যালয়টিতে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পূর্ব থেকেই মৌলভী ইদ্রিস মিয়ার নাম বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে তোরণসহ বিভিন্ন স্থানে লিপিবদ্ধ করা ছিল। মৌলভী ইদ্রিস মিয়া কোন সম্পত্তি বিদ্যালয়ের নামে দান করেছেন কিনা বা এ সম্পর্কে কোন রেকর্ডপত্র আছে কিনা এমনি প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষক কোন সদুত্তোর দিতে পারেননি’।
সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানায়, ‘বিদ্যালয়ের জন্য নির্মিত তোরণে ইদ্রিস মিয়াকে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা দেখানো হলেও বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠায় ইদ্রিস মিয়া কোন জমি দান করেননি।
তারা আরো জানায়, বছর দু’য়েক পূর্বে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি পাশে মৌলভী ইদ্রিস মিয়ার ছবি সাটায়। পরে এলাকাবাসীর তোপের মুখে প্রধান শিক্ষক তা সরিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পুনরায় আবার ওই বিতর্কিত ছবি সাটায়। বিজয়ের মাসে তার এই কর্মকান্ডে ক্ষু‘ব্দ এলাকাবাসী।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আলী আশ্রাফ খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে বঙ্গবন্ধু ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবির পাশে অন্য কারো ছবি থাকলে তা নামিয়ে ফেলার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নির্দেশনা দিয়েছি’।
এ ব্যাপারে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপায়ন দাস শুভ জানান, ‘বিষয়টি অবগত হওয়ার সাথে সাথেই আমি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তদ‘ন্ত সা‘পে‘ক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলেছি’।
বার্তাবাজার/এ.আর