ক’রোনা সনদে ভেজাল, কোরিয়া থেকে আসছে না মাসে ১২ কোটি টাকা

দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার পর অনেক বাংলাদেশির শরীরে ধরা পড়েছে করোনা। তারা দেশ থেকে পরীক্ষা করে করোনার নেগেটিভ সনদ নিয়ে গিয়েছিল। যার কারণে বাংলাদেশি কর্মীদের নতুন ভিসা ইস্যু করছে না কোরিয়া। আর তাই মাসে ১২ কোটি টাকা রেমিট্যান্স থেকে বাংলাদেশ বঞ্চিত হচ্ছে বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কোরিয়া ইপিএস সেন্টার ইন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি অঙ্গিকার নামা প্রচার করছে। সেখানে তারা স্পষ্টভাবে বলছে, বাংলাদেশ থেকে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে যাওয়ার পরেও অনেক ইপিএস কর্মী কোরিয়াতে পুনরায় পরীক্ষায় পজিটিভ ধরা পড়ছে।

এদিকে এখনও ১৫০০ জন ইপিএস রিএন্ট্রি, শিক্ষার্থী ছুটিগে গিয়ে আটকে আছে। যার ফলে মাসে অন্তত ১২ কোটি টাকা রেমিট্যান্স বাংলাদেশে আসছে না।

কোরিয়ায় পৌছে আবার যদি কারও দেহে করোনা ধরা পড়ে তবে তাকে নিজ খরচে চিকিৎসা করানোর কথা অঙ্গিকারনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অনেকেই সে কথা মানছেন না।

এ বিষয়ে সাব্বির হোসেন নামে এক ইপিএস কর্মী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেন, এদের উপরই কিন্তু নির্ভর করছে বাংলাদেশ থেকে Red alart উঠে যাবার উজ্জ্বল সম্ভাবনা। সুতরাং বাংলাদেশেই ১৪ দিন সরকার স্বীকৃত কোন প্রতিষ্ঠানে কোরেন্টিনে রেখে তাদের সরাসরি ফ্লাইটের ব্যবস্থা করুন।

তবে কোরিয়ার সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশ থেকে আগত কর্মীদের করোনার শতকরা হার ০০% আসলেই তারা নতুন ভিসা ইস্যু নিষেধাজ্ঞা তুলে নিবেন।

উল্লেখ্য, কোরিয়া সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিসেম্বরের ৫ তারিখ থেকে নিম্নে উল্লেখিত তিনটি হাসপাতাল বা ল্যাব থেকে কভিড-১৯ এর সার্টিফিকেট গ্রহণ করা হচ্ছে না। ।এগুলো কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার (ঢাকা) ও শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ, বগুড়া।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর