আ‘ধিপ‘ত্য বি‘স্তার‘কে কে‘ন্দ্র করে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের নাদামপুর গ্রামে দুই প‘ক্ষের সংঘ‘র্ষে গু‘লিবি‘দ্ধ হয়েছে ৮জন এবং আরো আ‘হত হয়েছে ৭ জন।
গু‘লিবি‘দ্ধ আটজনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাস‘পা‘তালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘট‘নায় ঘট‘না‘স্থ‘ল থেকে লাই‘সেন্সকৃ‘ত একটি ব‘ন্দু‘ক জ‘ব্দ এবং ইউপি সদস্যসহ ১২ জনকে আ‘ট‘ক করে পুলিশ।
আহতরা হলেন- আব্দুল আলীম (৩০), হাফিজুর রহমান (২৫), মিটু মিয়া (২২), তাসলিমা (১৪), ফটিক মিয়া (৩৫), বিবিনুর বেগম (৫০), ফাতেমা বেগম (১৪), রুমেজ মিয়া (৩২)।
জানা যায়, নাদামপুর গ্রামের যুক্তরাজ্য ফেরত সিরাজ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের বাসিন্দা নজির হোসেনের বিভিন্ন সময় আ‘ধি‘প‘ত্য বিস্তার নিয়ে বি‘রোধ চলছিল।
মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) গ্রামের এক মৃ‘ত ব্য‘ক্তি‘র চল্লি‘শ দিনের খাওয়া নিয়ে সিরাজ মিয়ার সঙ্গে নজির হোসেনের পক্ষের লোকজনের কথা কা‘টাকা‘টি হয়। যার জে‘রে বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকালে নজির হোসেনের লোকজন সিরাজ মিয়াকে লা‘ঞ্ছি‘ত করেন। এরপর সিরাজ মিয়ার পক্ষের লোকজন ব‘ন্দু‘ক দিয়ে এ‘লোপা‘তাড়ি গু‘লি ছু্‘ড়ে । এতে ক‘মপ‘ক্ষে ১৫ জন আ‘হ‘ত হয়। গু‘লিবি‘দ্ধ আট‘জনকে প্রথমে জগন্না‘‘থপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থা আ‘শংকা‘জনক হওয়ায় পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নেয়া হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসক শাহ আলম সিদ্দিকী বলেন, গু‘লিবি‘দ্ধ ৮জনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চি‘কিৎসা নিয়েছেন।
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, সংঘ‘র্ষের ঘট‘নায় একটি ব‘ন্দু‘ক জ‘ব্দ করা এবং ১২ জনকে আ‘টক করা হয়েছে।
বার্তাবাজার/এ.আর