জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে সং‘ঘর্ষে‘র ঘট‘না ঘটেছে। এ সময় পুলিশসহ প্রায় ৫০ জন নেতাক‘র্মী আ‘হত হয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে উপজেলার তারাকান্দি যমুনা সার কারখানা চত্তর এলাকায় এ ঘট‘না ঘটে। এ ঘট‘নায় মঙ্গলবার রাতেই উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমত আলী বা‘দি হয়ে সরিষাবাড়ী থানায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ৩২জন নেতাক‘র্মীদের বিরু‘দ্ধে মা‘ম‘লা দা‘য়ের করেন। মাম‘লায় বঙ্গবন্ধুর ছবি ও গাড়ি ভা‘ঙ‘চুর, অ‘গ্নিসংযো‘গের অভি‘যোগ আনা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসকে সামনে রেখে উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে তারাকান্দিতে যমুনা সার কারখানা চত্তরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভার সর্বশেষ খোজ নিতে যান উপজেলা যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। এসময় যুবলীগের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর ভা‘স্ক‘র্য ভাঙ‘চুরে‘র প্র‘তিবা‘দে বি‘ক্ষো‘ভ মি‘ছিল বের করে। মি‘ছিল চলাকালীন সময় এক ব্যাক্তি মিছি‘লকে ল‘ক্ষ করে বা‘জে মন্ত‘ব্য করতে থাকে। পরে এ বিষয় নিয়ে তার সাথে কথা কা‘টাকা‘টির ঘট‘নাকে কে‘ন্দ্র করে উত্তে‘জ‘নার সৃষ্টি হয়। এ ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে একপর্যায়ে দু’পক্ষের লোকজন জড়ো হয়ে ধাও‘য়া-পা‘ল্টা ধাও‘য়া, ইটপা‘ট‘কেল নি‘ক্ষেপ‘সহ সং‘ঘর্ষে লি‘প্ত হয়।
এদিকে সংঘ‘র্ষ চলা‘কালে তারা‘কান্দি‘ শহি‘দ মিনার চত্বরের বিজয় মঞ্চে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙ‘চুর করা হয়। এছাড়া কয়েকটি মোটরসাই‘কেল‘সহ যানবাহনে অ‘গ্নিসংযো‘গ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভা‘ঙচুর করা হয়।
এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্র‘ণের চেষ্টা‘কালে তারা‘কান্দি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম আহত হন। এছাড়া উভ‘য়পক্ষে‘র সংঘ‘র্ষে উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমত আলী, লিটন, সাইফুল, রনি, মানিক, ইকবাল হাসান লতিফ, উজ্জল, আনোয়ার হোসেনসহ অর্ধ‘শতাধি‘ক আ‘হত হন। গুরুতর আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল ও সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বা‘স্থ্য কম‘প্লে‘ক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মা‘ম‘লার বা‘দী ও উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমত আলী জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুলের ইসলামের নেতৃত্বে স্থানীয় একটি গ্রুপ যুবলীগের মি‘ছিলে হাম‘লা চালিয়ে নেতাকর্মীদের মার‘ধর, গু‘লিবর্ষ‘নসহ বঙ্গবন্ধুর ছবি ও মোটরসাইকেল ভাঙ‘চুর করে।
উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একেএম আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা তারাকান্দিতে যুবলীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর ভা‘স্ক‘র্য ভাঙ‘চু‘রের ঘট‘নায় বি‘ক্ষো‘ভ মি‘ছিল করছিলাম। হঠাৎ মি‘ছিল চলাকালে আমাদের উপর হা‘মলা চালা‘নো হয়। এসময় আমিসহ আমার যুবলীগের অনেক নেতা-কর্মী আ‘হত হয়।
অপরদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, বিজয় দিবস উপল‘ক্ষে শ‘হিদ মিনারে মঞ্চ তৈরির কাজ চলছিল। এসময় একটি পক্ষ মি‘ছিল নিয়ে বিনা কারণে সেখানে হামলা চালায়। এ ঘটনা মা‘মলা দা‘য়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু মো. ফজলুল করীম বলেন, সংঘ‘র্ষের ঘটনায় একটি লি‘খিত অভি‘যোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদ‘ন্ত সাপে‘ক্ষে আ‘ইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভা‘বিক রয়েছে বলেও তিনি জানান।
বার্তাবাজার/এ.আর