আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে বিজিবির বাধা অ‘ভিযো‘গ অ‘স্বী’কার বিজিবির

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের বুড়াবুড়ি এলাকায় খাস জমিতে “মুজিব শতবর্ষ” উপলক্ষে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর অধিনে ওই ইউনিয়নের ৬ জন ভূমিহীন লোকের জন্য বরাদ্দ দেয়া খাস জমিতে ঘর নির্মাণের সময় বিজিবির পক্ষ থেকে কয়েকজন সদস্য এসে বা`ধা দেয়ার অ‘ভিযো’গ করেছে তেতুঁলিয়া উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক বরাবরে বিজিবির বাধা দেয়ার বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

তবে বাঁ‘ধা দেয়ার মত কোন ঘটনাই ঘটেনি বলে দাবি করেছে ১৮ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আনিসুর রহমান।

তেতুঁলিয়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে “মুজিব শতবর্ষ” উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগ আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর অধিনে সারা দেশের মতো তেঁতুলিয়া উপজেলাতেও ভূ‘মি‘হী‘নদের জন্য গৃহ নির্মাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়। নভেম্বরে তেঁতুলিয়া উপজেলার ৬ জন ভূমিহীনের আশ্রয়ের জন্য বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের টিটিসিএল চা কারখানার বিপরীত দিকে ২ শতক করে খাস জমি বরাদ্দ দেয়া হয়। বরাদ্দকৃত খাস জমিতে গত তিন চার দিন আগে প্রতি পরিবারের জন্য ১ টি করে আধাঁপাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করে উপজেলা প্রশাসন।

কাজ চলা অবস্থায় ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর তেঁতুলিয়ার পেদিয়াগছ ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার রফিক, নায়েক সুবেদার শফিকুল ইসলাম, নায়েক রফিকুল ইসলাম ও খান মাহাবুব কয়েক দফায় নির্মাণ কাজ করতে বাধা দেয়। এ সময় তারা ওই জমিতে ঘর নির্মাণ করা হলে তা উঠিয়ে দেয়া হবে বলেও হু‘ম‘কি ধা‘ম‘কি দেন।

জেলা বা উপজেলা উপজেলা প্রশাসনের কোন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ না করে সরাসরি সরকারি কাজে বাঁ‘ধা দেয়ার ঘট‘নায় বি‘স্ময় প্রকাশ করেছে তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রশাসন।

বিজিবির এমন খা‘মখে‘য়া‘লিপ‘না আচরণ যে কোন সময় আ‘ইন শৃ‘ঙ্খলা প‘রিস্থি‘তির অব‘ন‘তি করতে পারে বলেও আ‘শঙ্কা‘র কথা জানিয়েছে তারা।

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, জমির দলিল, রেকর্ড, পর্চা ও সরকারি কোন নির্দেশের কাগজ উপস্থাপন ছাড়া কেউ সরকারি কাজে বাধা দিতে পারে না। কিন্তু বিজিবি অ‘না‘কা‘ঙ্খি‘তভা‘বেই এই কাজটি করেছে। যদিও আমরা সেটি অতিক্রম করার চেষ্টা করছি। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় আমি বিষয়টি জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছি।

পঞ্চগড় ১৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আনিসুর রহমান অ‘ভিযো‘গের বিষয়টি অ‘স্বীকার করে বলেন, সেখানে বাধা দেয়ার মত এমন কোন ঘটনাই ঘটেনি। সেখানে বিজিবি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ১০০ একর জমি রয়েছে। ক্রমানয়ে তার পাশের জমিগুলোও আ‘ত্মী‘করণ করা হবে। হঠাৎ সেই জমিতে আশ্রয়নের ঘর তুলতে গেলে আমাদের বিজিবি সদস্যরা সে বিষয়ে জানতে গিয়েছিল কেবল। এছাড়া কোন কিছুই ঘটেনি। তারা যদি ওই জমি আমাদের না দেন তবে আমাদের জানিয়ে কাজটি করলে ভাল হতো। তারাও সরকারি কাজ করছে আমরাও সরকারি কাজ করছি। আমরা এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে দেখতে চেয়েছেন। প্রশাসনের সাথে আমাদের বি‘রো‘ধের সুযোগ নেই।

বার্তাবাজার/এ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর