যে কারণে পাকিস্তান-ইংল্যান্ড দলের খেলোয়ারদের ডাকলেন আম্পায়র

গতকাল বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ইংল্যান্ডকে ১৪ রানে হারিয়েছে সরফরাজের নেতৃত্বধীন পাকিস্তান। ওই ম্যাচে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। যার কারণে বেশ জামেলায় পোহাতে হয়েছে আম্পায়রদের।ফিল্ডিং মিস করায় সতীর্থকে গালি দিয়েছেন জেসন রয়, জোফরা আর্চারের বল হোয়াইট দেয়ায় তিনি আপম্পায়ারের সঙ্গে জামেলায় জড়িয়েছেন।অন্যদিকে দুই দলের তক্রিকেটার প্রায় ৪০ মিনিট সময় বেশি নিয়েছেন।এরপর পাকিস্তান-ইংল্যান্ড দুই দলের খেলোয়াড়রা আউটফিল্ড থেকে একাধিক বাউন্সে বল ফেরত পাঠাচ্ছিলেন বোলারের কাছে। মূলত রিভার্স সুইং আদায়ের উদ্দেশ্যেই এমনটা করেন দুই দল। যা বুঝতে পেরে দুদলকেই ডেকে কথা বলেন দায়িত্বরত আম্পায়াররা।

ট্রেন্টব্রিজের ম্যাচটিতে দুই ইনিংসেই রিভার্স সুইং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দূর থেকে বল থ্রোর এমন অবস্থায় যাতে নিয়মের ব্যত্যয় না ঘটে, সেজন্য আম্পায়াররা বেশ কয়েকবার দু’দলকেই এক বাউন্সে বল ফেরত পাঠানোর বিষয়টি মনে করিয়ে দেন।

ইংল্যান্ড ইনিংসের শেষদিকে জস বাটলার ১০৩ রানে আউট হওয়ার পর বলের আকৃতি পরীক্ষা করে দেখেন আম্পায়াররা। তবে সন্দেহজনক কিছু খুঁজে পাননি।

ম্যাচ শেষে ইয়ন মরগান এ নিয়ে কথাও বলেছেন। তিনি জানান, ‘দুই ইনিংসেই এটি নিয়ে বেশ কয়েকবার আলোচনা হয়েছে। মধ্য-ইনিংসে আম্পায়াররা আমার কাছে এসেছিলেন। তারা মনে করেছেন, অকারণেই অতিরিক্ত বাউন্সে বল পাঠানো হচ্ছে অথবা এটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হয়েছে।’

এদিকে পাকিস্তানকে সতর্ক করার পর দেখা যায় আউটফিল্ড থেকে বল পাঠানোর পর মোহাম্মদ হাফিজ আম্পায়ারের কাছে বেশ কয়েকবার বল জমা দেন। জরিমানার ভয়েই হাফিজ এমনটি করেছেন। পাকিস্তানের ইংল্যান্ড-বধের নায়ক বললেনও তেমনই।

‘এটি তাদের (আম্পায়ার) কাজ এবং তারা তাদের কাজ করেছে। দুই ইনিংসেই বেশ কয়েকবার বল এক বাউন্সে আসেনি অথবা দুই কিংবা তিন বাউন্সে এসেছে। ২০ ওভার পর আমাদের সতর্কতা দেয়া হয়েছিল। যদি আমরা দুই বাউন্সে বল পাঠাই তবে আমাদের (রান) জরিমানা করা হবে। এজন্যই আমি বেশ কয়েকবার আম্পায়ারের কাছে বল সঁপে দিয়েছি।’

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর