বাংলাদেশে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানকে পরিকল্পিতভাবে হ’ত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে আজ (রোববার) আ’দাল’তে চা’র্জ’শি’ট জমা দেয়া হয়েছে।
হ’ত্যা’কা’ণ্ডের চার মাস পর আদালতে আজ এ মামলার চা’র্জ’শিট বা অভি’যোগ পত্র জমা দেন র্যা’বের ত’দন্ত’কারী কর্ম’কর্তা।
হত্যার আগে ‘গোপন বৈঠকে টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার তাকে হত্যার মূল পরিকল্পনা করে’ বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানায় র্যাব।
চা’র্জশি’টের বিষয় নিয়ে দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এক সংবাদ সম্মেলন র্যা’বের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ এসব কথা জানিয়েছেন।
এর আগে সকালে কক্সবাজার আদালতে ২৬ পৃষ্ঠার অভি’যোগপত্র জমা দেন র্যাবের তদ’ন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অভিযোগ পত্রে ১৫ জনকে আ’সামী করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১৪ জ’নকেই গ্রে’ফতার করা হয়েছে এবং তারা এখন কারা’গারে রয়েছে।
এদের মধ্যে রয়েছেন টেক’নাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্র’দীপ কুমার, বা’হারছড়া ক্যাম্পের বরখাস্তকৃত পরিদ’র্শক লিয়া’কত আলী, এসআই নন্দদু’লাল রক্ষিত, টেকনাফ থানার কয়েক জন পুলিশ সদস্য, আর্মড ব্যাটালিয়ন পুলিশের তিন সদস্য, স্থানীয় তিন বাসিন্দা, এবং বাকি একজন পলা’তক। তিনি টেকনাফ থানার বর’খাস্ত’কৃত ওসি প্রদীপ কু’মারের দেহর’ক্ষী সাগর দেব।
কারাগারে থাকা ১৪ জনের মধ্যে ১২ জন স্বী’কা’রোক্তিমূলক জ’বান’বন্দী দিয়েছে।
গত ৩১শে জুলাই রাতে কক্স’বাজারের একটি পু’লিশ চেকপো’স্টে পুলিশের গু’লিতে নি’হত হন অব’সরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোঃ রাশেদ। সেই ঘটনায় পুলিশ দুইটি মা’মলা করে। এর পরের দিন অর্থাৎ ৬ই অগাস্ট ওসি প্র’দীপ ও লিয়াক’তসহ ৭ জন আদা’লতে আত্ম’সম’র্পণ করেন।-বিবিসি বাংলা।
বার্তাবাজার/এসজে